বঙ্গের গেরুয়া শিবির বিভাজিত! পঞ্চায়েত ভোটের আগে নয়া পরিকল্পনা বিজেপির
বঙ্গ বিজেপি বহু গোষ্ঠীতে বিভাজিত। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে এবার নয়া পন্থা নিল বিজেপি। জেলা কমিটি নির্বাচন থেকে শুরু করে মণ্ডল সমিতি বাছাই নিয়ে বারবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেক মুখে পড়তে হচ্ছে।
বঙ্গ বিজেপি বহু গোষ্ঠীতে বিভাজিত। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে এবার নয়া পন্থা নিল বিজেপি। জেলা কমিটি নির্বাচন থেকে শুরু করে মণ্ডল সমিতি বাছাই নিয়ে বারবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেক মুখে পড়তে হচ্ছে। আদি-নব্য দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে বঙ্গ বিজেপির। তাই এবার বঙ্গ নেতৃত্বের ক্ষমতা খর্ব করা হতে পারে। সংগঠনে রদবদলের ভার নিজের হাতে রাখতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

বিজেপি চাইছে না আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপিতে আবারও গোষ্ঠীকোন্দল প্রকট হয়ে উঠুক। তাই বঙ্গ বিজেপির হাত থেকে রদবদলের ক্ষমতা কেড়ে নিতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, এখন থেকে দিল্লির সবুজ সংকেট ছাড়া সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কোনও বদল করতে পারবেন না বঙ্গ বিজেপির নেতারা।
বিজেপিতে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। ক্ষোভের সুর চড়েছে দলেরই অন্দরে। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বিজেপিতে ভাঙনও দেখা দিয়েছে সম্প্রতি। বিজেপির তৃণমূলস্তরের একাধিক নেতা দলবদল করেছেন। বারবার এ ব্যাপারে নালিশ জমা পড়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। এই ধরনের ঘটনা কমাতেই এবার হস্তক্ষেপ করতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
এতদিন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বই সাংগঠনিক স্তরে রদবদল করেছে। কিন্তু এবার থেকে সেই সিস্টেম বদল করেছে। বদল হচ্ছে সিস্টেমও। আর কোনও একক সিদ্ধান্ত নয়। এবার থেকে দিল্লির সবুজ সংকেত মিললে তবেই সাংগঠনিক স্তরে রদবদল হবে। সেই আঙ্গিকে রাজ্য বিজেপির ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলা যেতেই পারে।
যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাফ জানিয়েছেন বিজেপিতে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। আমরা বরাবরই রাজ্য ও কেন্দ্র আলোচনা করে রদবদল করি। রাজ্যের তরফে নাম কেন্দ্রের কাছে পাঠানোর পর অনুমোদন মিললে তারপরই রদবদল করা হয়। এমন অনেক খবরই রটছে, যা সচিক নয়। কোনও ক্ষমতা খর্বের বিষয় নয় এটা। বিজেপি নীতি মেনেই রদবদল করে।
কিন্তু রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই বলে মনে জানালেও বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অন্য সুর। রাজ্য থেকে ব্লকস্তর পর্যন্ত সর্বত্রই বিরাজ করছে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব। তাই কেন্দ্রও এবার কঠোর হাতে তা দমন করতে নেমে পড়েছে। রাজ্ কমিটি থেকে শুরু করে জেলা ও মণ্ডল কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সবুজ সংকেত দিলেই পদে পরিবর্তন করতে পারবে।












Click it and Unblock the Notifications