তৃণমূলে ভাঙন ধরাতে বদ্ধপরিকর বিজেপি! বিধায়কদের যোগাযোগ-তত্ত্বে ফের গেরুয়া চ্যালেঞ্জ
তৃণমূলে ভাঙন ধরাতে বদ্ধপরিকর বিজেপি! বিধায়কদের যোগাযোগ-তত্ত্বে ফের গেরুয়া চ্যালেঞ্জ
লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে ভাঙন ধরেছিল। অনেক হেভিওয়েট নেতা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এমনকী লোকসভার পরেও অব্যাহত ছিল তৃণমূলের ভাঙনের প্রক্রিয়া। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালেও সেই একইভাবে তৃণমূলকে ভাঙতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। তেমনই চ্যালেঞ্জের সুর শোনা যাচ্ছে বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই।

বিজেপি পাল্টা দিতে প্রস্তুত
সম্প্রতি বিজেপিতে ভাঙিয়ে তৃণমূলে ফেরার প্রবণতা বেড়েছে। এই প্রবণতা রুথে বিজেপি পাল্টা দিতে চায়। রাজ্যে বিজেপির এক নেতার কথায়, সময় এলেই বিজেপি আসরে নামবে। তৃণমূলের বহু নেতাই যোগাযোগ রাখছেন। এমনকী বিধায়কদের একটা বড় অংশ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলে। বেগরবাই হলেই উলটপুরা শুরু হয়ে যাবে।

ভাঙন রোখাই চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের
২০২১-এ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করেছে বিজেপি। সেই নির্বাচন জিততে বিজেপি প্রাণপণ ঝাঁপাবে। মোদী-শাহসহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাংলাকেই ঘাঁটি বানাবে। আর বঙ্গ বিজেপি নেতাদের কাডে লাগিয়ে বিজেপির উদ্দেশ্য হবে তৃণমূলকে ভেঙে তছনছ করে দেওয়া। ২০২১-এর আগে ভাঙন রোখা তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রশান্ত কিশোরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলায় পরিবর্তন! বিজেপির দাবি
বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব মনে করছে, তৃণমূলের একটা বড় অংশ বিশ্বাস করে ২০২১-এ বাংলায় ফের পরিবর্তনের ধ্বজা উঠতে পারে। আর তা হতে পারে বিজেপির হাত ধরে। তাই তৃণমূলের ওই অংশ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে। বহু বিধায়ক রয়েছেন সেই তালিকায়। তাঁরা দলত্যাগ করলে, হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস।

বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে
বিজেপির তরফে এমন দাবিও করা হয়েছে, গেরুয়া শিবিরে পা বাড়িয়ে রাখা তৃণমূলের বিধায়করা দল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চান। য়োগ দিতে চান বিজেপিতে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এখন সমস্যা করতে পারে বলে সঠিক সময়ে এলেই তাঁদের যোগদান করানো হবে। তাঁরাও অপেক্ষায় রয়েছে। যে সব নেতারা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন বাংলার মানুষ কী চাইছেন।

তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ বিজেপির
বিজেপির দাবি, তৃণমূলের অবস্থা ভালো নয়। ভিতরে ভিতরে ভঙ্গুর হয়ে গিয়েছে দলটা। সময় আসুক, দেখবেন, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। এখন করোনা পরিস্থিতির কারে রাজনৈতিক গতিবিধি আটকে রয়েছে। এই পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই তৃণমূলের ভাঙনের ধারাবিবরণী শোনা যাবে। এখন শুধু অপেক্ষর পালা। অপেক্ষা বাংলায় পরিবর্তনের।












Click it and Unblock the Notifications