বিজেপির টার্গেট বাংলার ৫০০০ গ্রাম, গ্রাম সম্পর্ক যাত্রায় রাখা হল যেসব লক্ষ্যমাত্রা
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে জনসংযোগ যাত্রা শুরু করেছেন বাংলায়। তার পাল্টা বিজেপি গ্রাম সম্পর্ক অভিযানে নামতে চলেছে। আর এই নয়া অভিযানের মধ্যে দিয়েই বাংলায় মোক্ষলাভ করতে চাইছে তারা। একুশে হয়নি, এবার টার্গেট ২৪শে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে মহড়া হিসেবে দেখছে বিজেপি। তাই তারা গ্রাম সম্পর্ক অভিযানকে মোট চার দফায় ভাগ করেছে। ইতিমধ্যে এক দফা গ্রাম সম্পর্ক অভিযান করেছে বিজেপি। তারপর অভিযেকের নবজোয়ারের পাল্টা দ্বিতীয় পর্বের গ্রাম সম্পর্ক অভিযানে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা।

আসলে বিজেপির এই গ্রাম সম্পর্ক অভিযাযান ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে টার্গেট করে। সেই কারণেই গ্রাম সম্পর্ক অভিযানের বাকি দুই দফা পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। আপাতত অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রার পাল্টা দিতে আসরে নামছে বিজেপি।
গেরুয়া শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে, এবার তারা দ্বিতীয় পর্যায়ে গ্রাম সম্পর্ক অভিযান শুরু করবে। প্রথম পর্যায়ে ভারতীয় জনতা পার্টি গ্রাম সম্পর্কিত অভিযান সুসম্পন্ন করেছে। এবার ভারতীয় যুব মোর্চা দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান নামছে। এই অভিযান শুরু হবে জলপাইগুড়ি থেকে।

বিজেপি টার্গেট নিয়েছে আগামী জুন মাসের মধ্যে বিজেপির যুব মোর্চার দ্বিতীয় পর্যায়ের যাত্রা শেষ করার। তারপরই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মুখোমুখী হবে বাংলার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি ও শাসক তৃণমূল। এই পর্বে ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রকে টার্গেট করা হয়েছে। এই ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তত ৫০০টি গ্রামে পৌঁছবে বিজেপির যুব মোর্চা।
বিজেপি স্থির করেছে, মোট ৫০০০ কিলোমিটার পথ পরিক্রমা করা হবে এই গ্রাম সম্পর্ক অভিযানে। এই কর্মসূচিতে ২০০টি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ১ হাজারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ হাজারটি গ্রামে পৌঁছবেন যুব মোর্চার কর্মকর্তারা। প্রত্যেকটি বিধানসভা কেন্দ্রে কমপক্ষে ২৫ কিলোমিটার পথ পরিক্রমা করা হবে।

বিজেপি জানিয়েছে, গ্রাম সম্পর্ক অভিযানের দ্বিতীয় পর্বের যাত্রা ২১ দিন ধরে চলবে। মোট চার দফার মধ্যে দ্বিতীয় দফা সম্পন্ন হয়ে গেলে বাকি আরও দুটি পর্ব হবে। এই গ্রাম সম্পর্ক অভিযানের লক্ষ্য ঘরে ঘরে বার্তা পৌঁছে দেওয়া, হাট সভা করা। তারপর দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সভার আয়োজন করা।
বিজেপির আর লক্ষ্যে গ্রাম সম্পর্ক অভিযান করে মানুষের দুয়ারে পৌঁছনো। কেন্দ্র কী কী সুবিধা দিচ্ছে তা মানুষের কাছে তুলে ধরা। মানুষ সেই সব সুবিধা পাচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা। মোট কথা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষকে তাঁদের দলের প্রতি আসক্ত করাই উদ্দেশ্য।












Click it and Unblock the Notifications