বামেদের পথেই হাঁটছে বিজেপি! নাগরিক আন্দোলনের মোকাবিলায় ফিরল পুরনো পন্থা
নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন জারি হওয়ার পর দেশ প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে। বিজেপি নাগরিকত্ব বিরোধী আন্দোলন প্রশমিত করতে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে।
নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন জারি হওয়ার পর দেশ প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে। নয়া নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনের জেরে নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে বিজেপি। এই অবস্থায় বামপন্থী কৌশলকেই অবলম্বন করল গেরুয়া শিবির। মোবাইল-ইন্টারনেটের যুগেও বিজেপি ফিরল সেই লিফলেট-রাজনীতিতে। বামপন্থীদের মতো লিফলেট বিলিয়েই কার্যোদ্ধার করতে ময়দানে নামল তারা।

নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে
নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে গণ আন্দোলনে রূপান্তরিত করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হয়েও তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন সংঘটিত করছেন। বাম-কংগ্রেসও একযোগে আন্দোসনে সামিল হয়েছে। এই অবস্থায় চাপে গেরুয়া শিবির। শেষে বিজেপি ফের এই আন্দোলনের মোকাবিলায় লিফলেট বিলি করতে নামল।

বিজেপির লিফলেট রাজনীতি
বিজেপি নেতারা বলছেন, নাগরিকত্ব সংশোধন বিল আইনে রূপান্তরিত হয়েছে। এখন নাগরিক সমাজ যত আন্দোলন করবে, ততই ভোটারদের মেরুকরণে লাভ কুড়োবেন তাঁরা। মুখে একথা বললেও বিজেপি যে ভিতরে ভিতরে চাপে রয়েছে, তার প্রমাণ এই লিফলেট রাজনীতি।

রাজ্যবাসীর মনে ভীতির সঞ্চার
রাজ্যবাসীর মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন প্রণয়নের পর। দেশজুড়ে এনআরসি আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে অসমে ১৯ লক্ষের মধ্যে বাদ পড়েছে ১২ লক্ষ হিন্দুর নাম। তার প্রভাব পড়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। একের পর এক নির্বাচনে হেরেছে বিজেপি।

নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের সমর্থনে প্রচারে
এই অবস্থায় বিজেপি নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের সমর্থনে প্রচারে নেমেছে। কিন্তু সেই প্রচার বিরোধীদের সম্মিলিত প্রচারের কাছে চাপা পড়ে যাচ্ছে। তাই মানুষের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁচে দিতে সোশাল মিডিয়ার উপর পুরোপুরি ভরসা না রেখে পুরনো দিনের লিফলেট রাজনীতিকে আশ্রয় করছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications