মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় যেতেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন সুকান্ত মজুমদার, ব্যাপক উত্তেজনা
পুলিশের সঙ্গে বচসাতে জড়ালেন নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়াতে ভোটের প্রচার করতে যান তিনি। কিন্তু গলিতে ঢোকার মুখেই পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ।
পুলিশের সঙ্গে বচসাতে জড়ালেন নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়াতে ভোটের প্রচার করতে যান তিনি। কিন্তু গলিতে ঢোকার মুখেই পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, কমিশনের নিয়মকে উপক্ষে করে বহু লোককে নিয়ে ঘুরছেন বিজেপি নেতারা। আর সেই কারনে ঢুকতে বাধা বলে দাবি পুলিশের তরফে।

শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতাদের সবার দুটি অরে ভ্যাকসিন নেওয়া আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন পুলিশ আধিকারিকদের। আর যা নিয়ে প্রকাশ্যে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বচসাতে জড়িয়ে পড়েন সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত। দুপক্ষের মধ্যেই উত্তপ্ত বাক বিনিময় শুরু হয়।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবড়েওয়াল বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রচারে আসা হয়েছে। এরপরেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের দাবিকে খন্ডন করে বিজেপি নেত্রীর দাবি, মঙ্গলবার মাত্র তিনজনে এসেছিলাম প্রচার করতে। কিন্তু তাও হরিশচন্দ্র স্ট্রিটে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
ফলে কলকাতা পুলিশ যে কোভিড বিধির নিয়ম দেখাচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে অভিযোগ প্রিয়াঙ্কার। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পেয়েছে বলেই বিজেপিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ফাতে ঢুকতে দিচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার বিজেপি রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। আর দায়িত্ব নিয়েই ভবানীপুর দখলের লড়াইয়ের ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকাতে ঘুরে ঘুরে সকাল থেকে প্রচার চালাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু হরিশচন্দ্র স্ট্রিটে ঢুকতে গেলেই তাঁদের আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
বলা হয়, প্রথমে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এটি হাই সিকিউরিটি জোন এখানে ঢোকা যাবে না। এরপর একাধিক কারণ দেখিয়ে বিজেপি নেতাদের সরিয়ে দেন পুলিশ আধিকারিকরা। আর যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
বলে রাখা প্রয়োজন, মঙ্গলবার সকালে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ওয়ার্ডে প্রচার করতে যান। কিন্তু কালীঘাট রোড থেকে যে গলি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের দিকে গিয়েছে সেই গলিতে ঢুকতে চান বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু সেই গলিতে ঢুকতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, প্রিয়াঙ্কাকে পুলিশ আধিকারিকরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার গলিতে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ফলে সেখানে যাওয়া যাবে না। সমস্ত লোকজনকে নিয়ে তো মোটেই নয়। কড়া নির্দেশ প্রিয়াঙ্কাকে জানান পুলিশের আধিকারিকরা। আর তা নিয়ে রীতিমত দুপক্ষের বচসা বেঁধে যায়। ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁকে প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। আর তা নিয়েই নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ভবানীপুর উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ঝোড়ো প্রচারে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধায়ও। আজ বুধবার থেকে বিভিন্ন জায়গাতে প্রচার করবেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications