ঝান্ডার থেকে ডান্ডা বড় করতে হবে, তৃণমূলকে পালিশের দাওয়াই দিলেন দিলীপ ঘোষ
প্রতিদিনই মারের বদলে মারের এক-একটা দাওয়াই দিয়েই চলেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মার ছাড়া কথা নেই তাঁর মুখে।
প্রতিদিনই মারের বদলে মারের এক-একটা দাওয়াই দিয়েই চলেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মার ছাড়া কথা নেই তাঁর মুখে। গুন্ডা পেটানোর পর পান্ডা পেটানোর দাওয়াই দিয়েছিলেন। এবার তিনি বললেন, 'ঝান্ডার থেকে ডান্ডা বড় হতে হবে। এমন ডান্ডার বাড়ি মারতে হবে, যেন তৃণমূলের আর বাড়ি যাওয়ার ক্ষমতা না থাকে। যারা মারতে আসবে, তাদের ডান্ডা পেটা করে সটান হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতে হবে।'

পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়ে দলের কর্মিসভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, কেউ তৃণমূলের হাতে মার খেয়ে আমাকে ফোন করবেন না। তৃণমূলকে ডান্ডা পেটা করে তারপর আমাকে ফোন করুন। বাকি দায়িত্ব আমার। একেবারে রণংদেহি মূর্তিতে শাসক তৃণমূলকে শায়েস্তা করার দাওয়াই দিয়ে গেলেন দিলীপবাবু।
দিলীপ ঘোষ মনোনয়ন পর্বের শুরু থেকেই মারের বদলা মারের হুমকি দিয়ে চলেছেন। মারের বিরাম থাকলেও, মারের হুমকির বিরাম নেই বিজেপি রাজ্য সভাপতির। মনোনয়ন পর্বে প্রথম দিনে শাসক তৃণমূলের হাতে মার খাওয়ার পরই কর্মীদের উদ্দেশ্যে মারের বদলা মারের কথা বলেছিলেন। তারপর মনোনয়ন পর্ব মেটার পর বলেছিলেন- এতদিন গুন্ডা পিটিয়েছি, এবার পান্ডাদের পেটাব। আর কী করে পেটাতে হবে, এদিন তা জানিয়ে দিয়ে গেলেন গোয়ালতোড়ের মঞ্চ থেকে।
এদিন দিলীপবাবু আরও বলেন, রাজ্যে চাকরি নেই, মানুষের রোজগার নেই, আর মুখ্যমন্ত্রী শুধু দুটাকা কেজি দরে চাল বিলির কথা আওড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেটা যে দিচ্ছে মোদী সরকার, তা একবারের জন্যও বলছেন না। আর তাঁর ভাইয়ের শুধু তোলা তুলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, এসব মিথ্যাচার মেনে নেওয়া হবে না।
দিলীপবাবু এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, মনোনয়নে বাধা দেওয়ায় আমরা সাতশো কর্মীকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। তাই পঞ্চায়েত ভোটের সময় তিনি বাঁশ কেটে রাখার কথা বলেন। তৃণমূল ভয় দেখাতে এলে ভালো করে পালিশ করে দেওয়ার দাওয়াই দেন। আর ঠিকমতো পালিশ করতে পারলেই, সব ঠান্ডা হয়ে যাবে বলে দিলীপবাবুর বার্তা দিলেন কর্মীদের।












Click it and Unblock the Notifications