মানবো না উসকানি! প্রমীলা-বাহিনীর বাধার মুখে দিলীপ, ফিরতে হল প্রচার না করেই
দার্জিলিংয়ের পর মালদহ। এবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে প্রমীলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁকে প্রচারে অংশ না নিয়েই ফিরতে হয়।
দার্জিলিংয়ের পর মালদহ। এবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে প্রমীলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁকে প্রচারে অংশ না নিয়েই ফিরতে হয়। শনিবার মালদহের ইংরেজবাজারের ফুলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। প্রচারে অংশ না নিয়ে ফিরে আসার পর ক্ষোভ উগরে দিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ফুলবেড়িয়া গ্রামে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তখন দিলীপবাবুর গাড়ি আটকান গ্রামের মহিলারা। তাঁরা করজোড়ে দিলীপবাবুকে ফিরে যেতে বলেন। মহিলাদের আর্জি, আমাদের গ্রামে দয়া করে অশান্তির বীজ বপন করবেন না। আপনার উসকানিমূলক কথাবার্তা আমরা শুনতে চাই না।
মহিলাদের কথায়, এই গ্রামে সবাই শান্তিতে আছেন। কোনও অশান্তি নেই। তাই আমরা চাই না, বিজেপি সভাপতি উসকানিমূলক কথায় এখানে অশান্তির বীজ বপন করে যান। এই বলেই হাতজোড় করে এক তরুণী বলেন, আপনি চলে যান। আমরা অশান্তি চাই না। অন্য এক মহিলা দিলীপবাবুর হাতে কন্যাশ্রী প্রকল্পের পুস্তিকা তুলে দেওয়া চেষ্টা করেন।
এই কাণ্ডকারখানা দেখেই দিলীপবাবু মেজাজ হারান। কন্যাশ্রীর পুস্তিকা দেখে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'কে আপনাদের এসব বলার অধিকার দিয়েছে। এভাবে দিদির চামচাগিরি হচ্ছে।' বিজেপি সভাপতির মুখে এই কথা শুনেই গ্রামবাসীরা আরও ক্ষেপে যান। তখনই 'দিলীপ ঘোষ গো ব্যাক' স্লোগান তোলেন গ্রামবাসীরা। শেষপর্যন্ত প্রচার না করেই গ্রাম ছাড়তে হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে।
বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের উসকানিতেই এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল পিছনে না থাকলে এতবড় সাহস হত না গ্রামের মহিলাদের। আসলে ওঁরা তৃণমূলের মহিলা ব্রিগেড। ওঁদের হাতে কন্যাশ্রীর পুস্তিকাও প্রমাণ করেছে ওঁরা তৃণমূলের দ্বারাই প্ররোচিত হয়ে এই কাজ করেছে। বিজেপির কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় বিপত্তি ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, তৃণমূল কোনও প্ররোচনা দেয়নি। সাধারণ মানুষই প্রতিরোধ করেছে বিজেপিকে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি যেভাবে উসকানিমূলক মন্তব্য করে চলেছেন, তারই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন সাধারণ মহিলারা। বিজেপির অশান্তি পাকানোর চেষ্টা রোধ করে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে দার্জিলিংয়ে গিয়েও বাধার মুখে পড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।












Click it and Unblock the Notifications