বাবুলের বিতর্কিত ‘থিম সং’-এ কোমর দোলাচ্ছেন দিলীপ, বিতর্ক উসকে ভিডিও ভাইরাল
আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র যে গান নিয়ে এখন এত বিতর্ক সেই গানের সুরে ও তালে কোমর দোলালেন দিলীপ ঘোষ।
আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র যে গান নিয়ে এখন এত বিতর্ক সেই গানের সুরে ও তালে কোমর দোলালেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবার মেদিনীপুর লোকভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মানস ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে লড়ছেন। সেই তিনিই বিতর্ক বাড়ালেন গানের সুরে কোমর দুলিয়ে।
বাবুলের গানের তালে নাচলেন দিলীপ
রবিবার মেদিনীপুর শহর লাগোয়া মাতকাতপুরে দলের মহিলা শাখার একটি সম্মেলনে এসেছিলেন তিনি। সেখানে বাবুলের গানের তালে নাচলেন। সভা শেষ হওয়ার পরে যখন ‘এই তৃণমূল আর না' গানটি বাজানো হয় তখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে নাচেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কোমর দোলাতে এবং ওই গানের সঙ্গে ‘লিপ' দিতে দেখা যায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি শমিত দাসকেও।
বাবুলের গানে দিলীপের নাচ ভাইরাল
শুধু মঞ্চের উপর বিজেপির তাবড় নেতারাই নন, নীচে গানের তালে তালে উদ্দাম নাচছেন দলের মহিলা কর্মী-নেত্রীরাও। "দিদি পড়ে হাওয়াই চটি, ভায়েরা সব কোটিপতি... কালীঘাটের টালির চালা, ওই চোরেদের পাঠশালা... এই তৃণমূল আর না, আর না..." -এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

বাবুলের গান নিয়ে নয়া বিতর্ক
যদিও এই গান নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হয়েছে বলে বাবুলকে শো-কজ নোটিশ পাঠায়নি, ওই গান এখন তাদের অনুমতি ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোথাও দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে। আসানসোলে বাবুলের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তি অভিযোগও দায়ের করেছেন।

নতুন বিতর্ক বাধালেন দিলীপ
এই গানটিকে এবার নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে থিম সং করতে চাইছে বিজেপি। তার জন্য মুম্বইয়ের একটি স্টুডিওতে গানটি রেকর্ড করা হয়েছে। আর তা দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। রবিবার সেই গান বাজিয়ে, নেচে আবার নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন মেদিনীপুর কেন্দ্রের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

অন্যায় বা ভুল করেননি, দাবি দিলীপের
যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেন, তারা কোনও অন্যায় বা ভুল করেননি এই গানের সঙ্গে কোমর দুলিয়ে বা গানটি প্রচারে ব্যবহার করে। তিনি বলেন, আমি কোন গান গাইব তার জন্য কি নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে? শিল্পীরা তো গান গাইতেই পারেন। বাবুল খুব ভালো সঙ্গীত শিল্পী। তিনি এই গানটা গেয়েছেন। তার সেই অধিকার আছে।

‘অফিসিয়ালি’ গান বাজালে অনুমতি
দিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা যখন ‘অফিসিয়ালি' এই গান বাজাব তখন নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নেব। এখন এই গান মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে। মানুষের মন যেটা চায় সেটা বিজেপির মধ্যে আছে। আমাদের দলে অনেক শিল্পী সাহিত্যিক চলচিত্র শিল্পী এসেছেন, তাদের কী করে ব্যবহার করতে হয় তা বিজেপি জানে।

কোথাও কোনও প্রার্থী বদল হবে না
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এই গান বাবুল সুর দিয়ে গেয়েছে, মানুষ সেটা শুনেছে, সেই গানে নাচছে। এতেই প্রমাণ হয় যে মানুষের মনের মধ্যে বিজেপি আছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি একইসঙ্গে জানিয়ে দেন, তাঁদের কোথাও কোনও প্রার্থী বদল হবে না। যদিও প্রার্থী ঘোষণার পরে রাজ্যে কয়েক জায়গায় বিতর্ক এবং বিক্ষোভ দেখা দেয়।

বাকি ১৩টি আসনের প্রার্থী ২-৩ দিনে
এদিন তিনি বলেন, আমরা ২৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছি। কোথাও কোন না পরিবর্তন হবে না। আমরা বাংলাকে পরিবর্তন করতে এসেছি। বাকি ১৩টি আসনের প্রার্থীর নাম ২-৩ দিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে। এদিন তিনি জানান, রাজ্যে বিজেপিকে জেতাতে মহিলারা এবার অগ্রণী ভুমিকা নেবে।












Click it and Unblock the Notifications