বোমা-বন্দুকের ‘উন্নয়ন’ নিয়ে ‘বাহুবলী’রা দাঁড়িয়ে আছে রাস্তায়, কেষ্টবাবুদের খোঁচা দিলীপের
বোমা-বন্দুক নিয়ে তৃণমূলের উন্নয়ন দাঁড়িয়ে রয়েছে রাস্তায় রাস্তায়। বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে খোঁচা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করলেন দিলীপ ঘোষ।
বোমা-বন্দুক নিয়ে তৃণমূলের উন্নয়ন দাঁড়িয়ে রয়েছে রাস্তায় রাস্তায়। বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে খোঁচা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, কেষ্টবাবু বলছেন উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর এদিকে তৃণমূলের নেতারা রাস্তায় ধারে দাঁড়িয়ে মহিলাদেরও ছাড়ছেন না। এমনই উন্নয়নের চিত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোনার বাংলায়।

রাজ্যের উন্নয়নকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, উন্নয়ন যদি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকবে, তবে এত সন্ত্রাস, এত হানাহানি কেন? কীসের এত ভয় তৃণমূলের? কেন বিরোধী মনোনয়নের সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হল না? তিনি বলেন, আমাদের নৈতিক জয় এটাই- রাজ্যের শাসকদল ভয় পেয়েছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন বদলার রাজনীতি শুরু করেছে। শুরু হয়েছে শেষের দিন।
দিলীপবাবু বলেন, বিরোধীদের মনোনয়ন দিতে দেওয়া হল না। বিরোধীরা মনোনয়ন দিতে পারলে শাসক তৃণমূল বুঝত উন্নয়নের ফল কী হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় ভাই কেষ্টবাবুরা দেখতে পেতেন, কেমন উন্নয়ন রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে। তিনি বলেন, হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল এবং তাঁরা মনোনয়ন দিতে পারবেন বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু তা হল না, তৃণমূল এ যাত্রায় বেঁচে গেল। কিন্তু এক মাঘে শীত যায় না।
তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধীরা যাতে মনোনয়ন জমা দিতে না পারে তার জন্য সাতদিন ধরে দুষ্কৃতীদের পুষে বিরিয়ানি খাওয়ানো হয়েছে। তারাই রাস্তার ধারে বসে উন্নয়নের প্রতীক হয়েছিল এতদিন। এইসব বাহুবলীরা যেখানে ছিল, সেখানে ঢুকতে পারেনি বিরোধীরা। কিন্তু যেখানে বাহুবলীরা ছিল না, সেই সব জায়গায় বিরোধীরা মনোনয়ন দিয়েছে। আসন্ন ভোটে দেখবেন, সেইসব ক্ষেত্র কী হাল হয় তৃণমূলের।












Click it and Unblock the Notifications