বিজেপিতে চালু হয়েছে মুচলেকা প্রথা! প্রার্থীপদে আবেদনের 'বহর' দেখে বিদ্রোহ রুখতে ব্যবস্থা
বিজেপিতে চালু মুচলেকা প্রথা! প্রার্থীপদে আবেদনের বহর দেখে বিদ্রোহ রুখতে ব্যবস্থা
কলকাতা পুরসভার ১৪৪ ওয়ার্ডে দেড় হাজার জন প্রার্থী হওয়ার আবেদন করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সামাল দিতে বিজেপি এক অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করল। নজিরবিহীন উদ্যোগ নিয়ে বিজেপি সবার কাছেই মুচলেকা চাইল। মুচলেকা লিখলেই গ্রহণ করা হবে আবেদন। আর এই এক মুচলেকাতেই বিষ দাঁত ভাঙতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

মুচলেকা প্রথার মাধ্যমে বিজেপির প্রার্থী
পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য বিজেপি আবেদনপত্র চাওয়ার পরই এই প্রবণতা দেখে, নয়া পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে দেয়। ১৪৪ ওয়ার্ডে ১০ গুনেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ফলে প্রার্থী হতে না পারলে অন্তর্দ্বন্দ্ব তৈরি হবেই। এই পরিস্থিতি বিজেপি কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়ে মুচলেকা প্রথা শুরু করে দেয়।

দলের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্রোহ নয়
আবেদনপত্রের বহর দেখে বিজেপির তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আবেদনের পাশাপাশি মুচলেকা দিতে হবে সমস্ত আবেদনকারীকে। মুচলেকায় পরিষ্কার, প্রার্থী না হলে দলের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্রোহ করা যাবে না। কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। আমরা দলের অনুগত হয়েই থাকতে হবে। তা না হলে আবেদনপত্র খোলাই হবে না বিজেপির আবেদনকারীদের।

মুচলেকায় লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে যা
মুচলেকায় লিখতে হচ্ছে- আমি প্রার্থী হতে না পারলে, দলের স্বার্থে সকলে মিলে কাজ করব। যিনি প্রার্থী হবেন, তাঁর হয়ে প্রচার করব। দল যাঁকে প্রার্থী করবে, তাঁকেই আমরা মেনে নেব। তাঁকে জেতাতে আমরা সর্বচেষ্টা করব। এই মুচলেকা সবাইকে দিয়েই লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই পরিস্থিতি কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের ক্ষেত্রে।

অভিনব পদ্ধতিতে বিদ্রোহ রোখার চেষ্টা
গেরুয়া শিবিরের এই মুচলেকা-পদ্ধতি রীতমতো অভিনব। দলের বিদ্রোহ ঠেকাতে কীভাবে এই পদ্ধতি কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এ ব্যাপারে চরম নির্দেশিকা দিয়েছেন। সম্প্রতি কলকাতা পুরভোট সংক্রান্ত একটি বৈঠকে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।












Click it and Unblock the Notifications