চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হিমন্ত বিশ্বশর্মা থেকে সাত হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ময়দানে নামাচ্ছে শাহ-নাড্ডারা
যার প্রমাণ হাতে নাতে পেয়েছে বিজেপি। ভবানীপুর বিধানসভা সহ দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। আর ফলাফল প্রকাশের পরেই নেতৃত্বকে স্বীকার করতে হয়েছে যে, সংগঠন না থাকাতেই এই পরাজয়।
একের পর এক ধাক্কা। বিধানসসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পরেই নড়ে গিয়েছে বিজেপির সংগঠন। যার প্রভাব পড়ছে উপ নির্বাচনেও।
যার প্রমাণ হাতে নাতে পেয়েছে বিজেপি। ভবানীপুর বিধানসভা সহ দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। আর ফলাফল প্রকাশের পরেই নেতৃত্বকে স্বীকার করতে হয়েছে যে, সংগঠন না থাকাতেই এই পরাজয়।
ভবানীপুরের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। যা কিনা বিজেপির কাছে প্রেস্টিজিয়াস ফাইট বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ
গত বিধানসভা নির্বাচনে এই চার কেন্দ্রের মধ্যে থেকে দুটি কেন্দ্রে জয় পায় বিজেপি। দিনহাটা থেকে জয় আসে এবং শান্তিপুর বিধানসভাও ছিনিয়ে এয় তৃণমূল। কিন্তু দুই কেন্দ্রের বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক এবং জগন্নাথ চট্টপাধ্যায় জয় পায়। কিন্তু সাংসদ পদ ছাড়তে তাঁরা রাজি হননি। এই অবস্থায় এই দুই কেন্দ্র ধরে রাখা বড় চ্যালেঙ্কের। অন্যদিকে গোসাবা এবং খড়দাতেও ভালো ফল চায় বিজেপি। ফলে এই চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন রীতিমত চ্যালেঞ্জের বঙ্গ বিজেপির কাছে। পাশাপাশি নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ এই ভোট।

ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে বঙ্গ ব্রিগেড। শুধু বঙ্গ ব্রিগেড নয়, একেবারে সাত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নামাতে চলেছে শাহ-নাড্ডারা। আজ শুক্রবার দলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে তারকা প্রচারকদের নাম। সেই তালিকাতে একদিকে বাংলা বিজেপির নেতারা থাকলেও থাকছেন সাত হেভিওয়েট কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। প্রচার করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, জন বার্লা, নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুররা। খড়দা, গোসাবা, শান্তিপুর ও দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করবেন এই সমস্ত হেভিওয়েট নেতারা। এছাড়াও প্রচার করতে রাজ্যে আসবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

প্রচারে থাকবেন শুভেন্দু-লকেটরাও
এই চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন বিজেপির কাছে কার্যত অস্বস্তিতের লড়াই। আর সেই কারনে তৃণমূলকে একচুলও জায়গা ছাড়তে নারাজ বিজেপি। একদিকে যেমন কেন্দ্রীয়মন্ত্রীরা প্রচার করবেন অন্যদিকে রাজ্যের তরফে দিলীপ ঘোষ, দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং অর্জুন সিংয়ের মতো নেতারা।

চার কেন্দ্রের জন্য চারটি কমিটি
দলবদলের জেরে বিধানসভায় বিজেপির (BJP) আসন সংখ্যা কমেছে। এরপর তিন কেন্দ্রে কার্যত পর্যুদস্ত হয়েছে বিজেপি। সামনেই আবার রয়েছে ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন (by election)। এর মধ্যে দুই কেন্দ্র বিজেপির দখলেই ছিল। সেই দিক থেকে ৩০ অক্টোবরের উপনির্বাচন বিজেপির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণার আগে চার কেন্দ্রের জন্য চারটি কমিটি (Election Management Team) করে দেওয়া হয়েছে। তালিকায় সব থেকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কোচবিহারের দিনহাটাকে।












Click it and Unblock the Notifications