মুকুলের 'নীরবতা'ই সবথেকে বড় হাতিয়ার, 'ভূমিকম্পে'র অপেক্ষায় প্রহর গুণছে বিজেপি
২০২১-এর লক্ষ্যে বিজেপি যখন ময়দানে নেমে পড়েছে, তখন মুকুল রায় নীরব হয়ে রয়েছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁর এই নীরবতা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখনই বিজেপির একংশ মনে করছে, মুকুল রায়ের মৌনতাই সবথেকে বড় অস্ত্র।
২০২১-এর লক্ষ্যে বিজেপি যখন ময়দানে নেমে পড়েছে, তখন মুকুল রায় নীরব হয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তাঁর এই নীরবতা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখনই বিজেপির একংশ মনে করছে, মুকুল রায়ের মৌনতাই সবথেকে বড় অস্ত্র। তিনি নীরব মানেই বড়সড় ভূমিকম্পের অপেক্ষা। ২০২১-এর আগে ফের এরটা ভূমিকম্প হবে, প্রস্তুত থাকুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুকুলের বিকল্প কোনও চিন্তা-ভাবনা রয়েছে!
রাজনৈতিত মহলের একটা অংশের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে, যে মুকুল রায় কথায় কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়াতেন, সেই মুকুল রায়কে এখন সেভাবেসরব হতে দেখা যাচ্ছে না। বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য হঠাৎই তাঁর প্রাক্তন নেত্রীর বিরুদ্ধে মৌনব্রত নিয়েছে। তাই একটা পক্ষ মনে করছে মুকুল রায় বিকল্প কোনও চিন্তা-ভাবনা করছেন।

মুকুল নীরব, ভাঁজছেন কোনও ফন্দি
মুকুল অনুগামীদের কথায়, মুকুল রায় নীরব থেকেই কাজ করতে ভালোবাসেন। তিনি সময় এলেই ফোঁস করবেন। আবার থাবাও বসাবেন তাঁর পুরনো দল তৃণমূলের ঘাড়ে। মুকুল রায় এখন থেকেই ভাঁজছেন তাঁর পরিকল্পনা। তিনি মনোযোগ দিয়েই কাজ চালাচ্ছেন। পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবেন।

মুকুল নীরব থেকেই কাজ করেন
বিজেপিতে তাঁর অনুগামীরাও মনে করছে, মুকুল রায়কে নিয়ে ভাবার কোনও কারণ নেই। মুকুল রায় নীরব থেকেই কাজ করছেন। অপেক্ষা করুন, দেখবেন মুকুল রায় কী ভূমিকম্পটাই না ঘটায় রাজ্য রাজনীতিতে। তিনি এখন ২০২১-এর কৌশল নির্ধারণ করছেন। তাই মুকুলের চমকের অপেক্ষা এখন।

মমতার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাই লক্ষ্য
কিছুদিন আগেই মুকুল রায়ের তৃণমূল যোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি তৃণমূলের এক প্রাক্তন সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলেও রটেছিল রাজ্য রাজনীতিতে। তারপর তিনি সমূলে সেইসব জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, তাঁর বিজেপি ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই। মমতার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাই তাঁর লক্ষ্য।

জল্পনার অবসান হবে মুকুলের এক ধামাকায়
সম্প্রতি আবার তাঁকে কেন্দ্রীয় পদ ও মন্ত্রিত্ব দেওয়া নিয়েও নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছিল। আদতে তার কিছুই হয়নি। রাজ্যেও তিনি পদহীন। রাজ্য কমিটিতে তাঁর কোনও স্থান নেই। আবার মুকুল রায় এরপর জানিয়ে ছিলেন, তিনি আর বিজেপির সদর দফতরে যাবেন না। তাতেও জল্পনার পারদ চড়েছিল ঊর্ধ্বে। বিজেপির দাবি, এতসব জল্পনার অবসান হবে মুকুলের এক ধামাকার পর।

মুকুল কি নিয়ে প্রশ্ন, উত্তরের অপেক্ষা এখন
সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, ২০১৯-এর আগে যতটা সক্রিয় ছিলেন মুকুল রায়, ২০২১-এর আগে তিনি যেন অনেটাই মৌনী! ২০১৯-এ তিনি বিজেপির পালে হাওয়া লাগিয়ে ১৮ জন প্রার্থীকে জিতিয়ে সংসদে পাঠানোয় সহায়তা করেছিলেন। কিন্তু এত কিছুর পরও তিনি বিজেপিতে সেভাবে গুরুত্ব পাননি। তাই কি তিনি এবার খানিক গুটিয়ে রেখেছেন? এখন এই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications