চাই বুথভিত্তিক সংগঠন! দলকে গুরুত্বপূর্ণ টোটকা বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডার
রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বুথ পর্যায়ের সংগঠনের ওপর জোর দিলেন বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ শুনবেন না।
রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বুথ পর্যায়ের সংগঠনের ওপর জোর দিলেন বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ শুনবেন না। রাজ্যে বিজেপি কতটা এগোতে পেরেছে তার খতিয়ান তিনি চান। পাশাপাশি রাজ্য নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যত বড় নেতাই হোন না কেন, তাঁকে তৃণমূল স্তরে মানুষের মধ্যে গিয়ে সংগঠন করতে হবে।

কার্যকরী সভাপতি হওয়ার পর প্রথমবার কলকাতায়
কার্যকরী সভাপতি হওয়ার পর প্রথমবার কলকাতায় এসেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন জেপি নাড্ডা। পাশাপাশি ৩৭০ ধারা নিয়েও সেমিনারে দলের মত তুলে ধরেছেন। অংশ নিয়েছেন রাজ্যে রাজনৈতিক হামলায় নিহত বিজেপি কর্মীদের জন্য হওয়া তর্পণে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে যে শক্তিশালী সংগঠনের দরকার তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন দলের নেতাকর্মীদের।

দলীয় নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি
সংগঠন মজবুত করতে চেয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলার জামাই। মমতার পুলিশ কিংবা ক্যাডাররা বিজেপি কর্মীদের মারছে এইকথা তিনি শুনতে চান না বলেও জানিয়েছেন। তিনি শুনতে চান সংগঠনের অগ্রগতির কথা। তাঁর নির্দেশ কলকাতায় বসে নেতাগিরি চলবে না। যে কোনও নেতাকে ১০ থেকে ১৫ টি বুথে যেতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে বুথ ভিত্তিক সংগঠনে জোর দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন শুধু বলা নয়, এই সংক্রান্ত রিপোর্টও তিনি নেবেন।

বাংলার জামাই জেপি নাড্ডা
নাড্ডার পরিবার হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলার বিজয়পুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও, বড় হয়েছেন অবিভক্ত বিহারে। পড়াশোনা পাটনায়। তাঁর বাবা এনএল নাড্ডা রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তবে উচ্চশিক্ষা করেছেন হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়েই। জেপি নাড্ডার নেতৃত্বেই প্রথমবার হিমাচল বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইকে হারিয়ে ছাত্র সংসদ দখল করেছিল এবিভিপি। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী মল্লিকা নাড্ডা বিহারের বাঙালি। তিনি হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে দূরশিক্ষা বিভাগের অধ্যাপিকাও বটে।












Click it and Unblock the Notifications