বিজেপির দুই বিধায়ক বেসুরো, রাজ্য সভাপতির ডাকা বৈঠকে গরহাজির থেকে বাড়ালেন জল্পনা
বিজেপিতে ফের দুই বিধায়ককে নিয়ে শুরু হল জল্পনা। রাজ্য বিজেপির সভাপতির ডাকা বৈঠক অনুপস্থিত থেকে তাঁরা প্রশ্ন তুলে দিলেন দলের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। তাঁদের অনুপস্থিতি ফের জল্পনা তৈরি করল বিজেপিতে ভাঙনের।
বিজেপিতে ফের দুই বিধায়ককে নিয়ে শুরু হল জল্পনা। রাজ্য বিজেপির সভাপতির ডাকা বৈঠক অনুপস্থিত থেকে তাঁরা প্রশ্ন তুলে দিলেন দলের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। তাঁদের অনুপস্থিতি ফের জল্পনা তৈরি করল বিজেপিতে ভাঙনের। বিজেপির পরিষদীয় দল কি আরও ছোটো হয়ে যাবে, সেই প্রশ্নও উঠে গেল রাজ্য সভাপতি বনাম বিজেপি বিধায়কের কোন্দলে।

বিজেপির অস্বস্তি আরও বাড়ল বৈ কমল না
বিজেপির ঘরোয়া কোন্দল আবারও প্রকট হয়ে উঠল সেই মুর্শিদাবাদে। আগে জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন বিজেপির দুই বিধায়ক। এবার তাঁরাই বিজেপির রাজ্য সভাপতির ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিতি থেকে দলে ভাঙন জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিলেন। মুর্শিদাবাদের দুই বিযাক ও দুই রাজ্য কমিটির সদস্যকে নিয়ে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, সুকান্তর বৈঠকে তা আরও বাড়ল বৈ কমল না।

রাজ্য বিজেপি সভাপতি বনাম বিধায়ক দ্বন্দ্বে জল্পনা
বিজেপিতে অস্বস্তির মূলে রয়েছে মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ এবং বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। গৌরীশঙ্কর ঘোষ অনেকদিন ধরেই বেসুরো বাজছিলেন। এবার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের তোপ দাগলেন সুব্রত মৈত্র। ফের প্রকাশ্যে চলে এল বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব। রাজ্য সভাপতি বনাম ও বিজেপি বিধায়ক দ্বন্দ্বে জল্পনার পারদ ফের ঊর্ধ্বমুখী হল।

বিজেপিতে প্রকাশ্যে কোন্দল, ভাঙন জল্পনা
সম্প্রতি সুকান্ত মজুমদারের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ ও বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। এর আগে মুর্শিদাবাদে বিজেপির জেলা কমিটির সভায় গরহাজির ছিলেন বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কড়া বার্তা দিলেন এই গরহাজিরায়। এরপর পাল্টা তোপ দাগেন বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বার্তা
বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই মর্মে বলেন, বিজেপি হাজার হাজার জনপ্রতিনিধি তৈরি করে। হাজার হাজার জন প্রতিনিধি তৈরি করে তুলে ফেলে দেয়। বিজেপির সংগঠন হল মূল কথা, কে বিধায়ক, কে সাংসদ বিজেপি কাছে তা ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। কেউ যদি অনুপস্থি্ত থাকতে চায়, না আসে, সেটা তাঁর ব্যাপার।

বিজেপির বেসুরো বিধায়করে পাল্টা তোপ
বিজেপির বেসুরো বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, বিজেপিতে এমন জন প্রতিনিধি তৈরি করতে হবে, যাঁর সঙ্গে তৃণমূল স্তরের মানুষের সংযোগস্থাপন করা যায়। কেননা মানুষের উন্নয়নের মধ্যে দিয়েই ভারতকে শক্তিশালী করা যেতে পারে। তা করতে গেলে সংগঠন ও জনপ্রতিনিধি উভয়ের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। এর আগেও মুর্শিদাবাদে রাজ্য সভাপতি এসেছেন। কিন্তু আমাদের কিছু জানানো হয়নি। এখানে ছ'জন কাউন্সিলর ছিলেন, তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। এর আগে ফরওয়ার্ড ব্লকের যিনি মন্ত্রী ছিলেন তাঁর বাড়িতে ঘুরে গিয়েছেন, সেখানেও আমাদের কোনও সূচনা দেওয়া হয়নি।

মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপিতে ভাঙন জল্পনা
এর আগে মুর্শিদাবাদ জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ হালদার ও জেলা কার্যকরী সমিতির সদস্য তড়িৎ সরকার ক্ষোভ উগরে দেন জেলা সভাপতি শাখারভ সরকারের বিরদ্ধে। তারপর তাঁরা দল থেকে অব্যহতি চান। এরপর বিধায়করা বিমুখ হলেন। জেলায় জেলায় যেভাবে বিক্ষোভ দানা বাঁধছে, তাতে রাজ্যে ক্রমশ কোণঠাসা হচ্ছে বঙ্গ বিজেপি! মুখ থুবড়ে পড়েছে তাদের সংগঠন।












Click it and Unblock the Notifications