স্বাস্থ্য দফতরে নিয়োগ-গল্প 'ফাঁস'! পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর দাবিতে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি সুকান্তের
স্বাস্থ্য দফতরে নিয়োগ-গল্প 'ফাঁস'! পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর দাবিতে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি সুকান্তের
রাজ্য সরকার শিল্পে পিছিয়ে বলেই জিএসটির (GST) ক্ষতিপূরণ হিসেবে বেশি টাকা পেয়েছে। এই ভাষাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) সরকারের তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন তিনি রাজ্যের পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমাতে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছেন।

রাজ্যের আয় কম বলেই জিএসটিতে ক্ষতিপূরণ
রাজ্য সরকারকে কেন্দ্র জিএসটির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৬৫৯১ কোটি টাকা দিয়েছে। যা নিয়ে এদিন কটাক্ষ করতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, কর্নাটক
এতটা ক্ষতিপূরণ পায়নি। তিনি বলেন, এর অর্থ হল ওই রাজ্যগুলি কর সংগ্রহে পশ্চিমবঙ্গের থেকে অনেক এগিয়ে। তিনি বলেন, এর থেকে বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ শিল্পে কতটা পিছিয়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতরে নিয়োগ নিয়ে গল্প
সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কয়েকদিন আগে স্বাস্থ্যদফতরের প্রায় ১১ হাজার নিয়োগের গল্প শুনিয়েছে। তিনি বলেছেন আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তা রাজ্যে চালু হতেদেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আয়ুষ্মান ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ওয়েলনেস সেন্টার। তবে রাজ্য সরকার ওয়েলনেস সেন্টারে রাজি হয়েছে। সেখানেই এই নিয়োগ হওয়ার কথা। অন্যসব কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মতো এখানেও
নাম বদল করে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র রেখেছে রাজ্য সরকার। আর পঞ্চদশ অর্থকমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১১ হাজার কেন্দ্রীয় পদে লোক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর দাবি
বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন বলেছেন, জিএসটির ক্ষতিপূরণ বাবদ যেসব রাজ্য সব থেকে বেশি টাকা পেয়েছে, তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম। তিনি এদিন দাবি করেছেন, পেট্রোলে লিটার পিছু ৫ টাকা এবং ডিজেলে লিটার পিছু ১০ টাকা দাম কমাতে হবে।রাজ্য সরকার যদি এই দাবি না মানে, তাহলে তারা নবান্ন ঘেরাও করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সিদ্ধান্ত নিতে ১৫ দিন সময় দিয়েছেন তিনি। সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব তাদের হাতে দিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবি
একইসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার এদিন দাবি তুলেছেন, রাজ্য সরকারি কর্মী, শিক্ষক-অশিক্ষককর্মী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনস্ত সংস্থায় যাঁরা .চাকরি করেন, তাঁদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে হবে। কেননা এতদিন রাজ্য সরকার
বলত কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের ভাগের টাকা দেয় না। এবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে।মোদী সরকারের ৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনি বলেছেন, ই-ট্রানজ্যাকশনে এগিয়েছে রাজ্য। বেড়েছে জাতীয় সড়ক।












Click it and Unblock the Notifications