জঙ্গলমহলে থাবা বসালেন দিলীপ, সাঁওতাল সমাজের বিজেপি-যোগে সমৃদ্ধ মোদীর সভা
বাংলার আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে নিজেদের দলে টেনে দল ভারী করতে চাইছে বিজেপি। আর সেই সুযোগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বাংলার আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে নিজেদের দলে টেনে দল ভারী করতে চাইছে বিজেপি। আর সেই সুযোগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মোদীর সফরের দুদিন আগেই তাই ঢাকঢোল পিটিয়ে রাজ্য দফতরে এনে ভারতীয় সাঁওতাল সমাজকে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছিল। সোমবার মেদিনীপুরে মোদীর সভার একটা বড় অংশ ভরিয়ে দিলেন সেই সাঁওতাল সমাজের সদস্যরাই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে বিজেপি প্রথম টার্গেট করেছে জঙ্গলমহলকে। এবার পঞ্চায়েতে জঙ্গলমহলে সাফল্যও পেয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম জেলার অনেক গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে তারাষ আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে তাঁরা নিজেদের দিকে টানতে সফল হচ্ছে।
আর সেই ধারা বজায় রাখতে ভারতীয় সাঁওতাল সমাজের সদস্যদের বিজেপিতে যোগদান করিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলে আদিবাসীদের বাস রয়েছে। ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা লাগোয়া এলাকায় আদিবাসী রয়েছেন ৫০ লক্ষেরও বেশি। তাঁদের সিংহভাগ মানুষকে যদি নিজেদের দিকে টেনে নেওয়া যায়, সেটা বিজেপির পক্ষে লাভদায়কই হবে। সেটাই করে দেখানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
শুধু দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহলেই নয়, আদিবাসীদের বাস রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। এভাবে যদি আদিবাসীদের নানা সমাজকে দলভুক্ত করা যায়, তবে নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করা যাবে। আদিবাসীদের নিজেদের দিকে টানতে বিজেপি নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। সেই কারণেই পরপর দুটি জনসভা জঙ্গলমহল লাগোয়া এলাকায় করা হল। অমিত শাহের সভা হল পুরুলিয়ায়, আর নরেন্দ্র মোদী এদিন সভা করলেন মেদিনীপুরে।
এরপর উত্তরবঙ্গকে টার্গেট করবে বিজেপি। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারেও প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। সেইমতো মোদী বা অমিত শাহদের দিয়ে সভা করানো হতে পারে জলপাইগুড়ি বা আলিপুরদুয়ারে। মোট কথা, আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সভা করে কিছু লোকসভা আসন ছিনিয়ে নেওয়াই লক্ষ্য বিজেপির।












Click it and Unblock the Notifications