বিজেপিতে ফের বড় ভাঙন, সাংসদকে নিশানা করে ইস্তফা টাউন সভাপতির
বিজেপিতে ফের বড় ভাঙন, সাংসদকে নিশানা করে ইস্তফা টাউন সভাপতির
একটি উপনির্বাচন এবং দুটি কেন্দ্রে নির্বাচনের ফলের ধাক্কার মধ্যেই বিজেপিতে (BJP) বড় ভাঙন। কর্মীদের প্রতি রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার (ৎোুোললোূপ এোীকোী) অবহেলা করছেন এই অভিযোগ করে দলীয় পদে ইস্তফা দিয়েছেন শান্তিপুর শহর বিজেপির সভাপতি বিপ্লব কর। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দিন কয়েকের মধ্যেই তাঁর প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে আরও বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী দল ছাড়তে পারেন।

সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের প্রতি অবহেলা
পদত্যাগ পত্রে বিপ্লব কর দলীয় কর্মীদের প্রতি অবহেলা এবং সাধারণ মানুষের পাশে না থাকার ব্যাপারে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। সেই কারণেই ইস্তফা বলে উল্লেখ করেছেন ওই নেতা। চিঠিতে ওই নেতা বলেছেন, নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি কোনও অবহেলা করেননি। কিন্তু মাননীয় সাংসদের কার্যকলাপ নিয়েই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ইস্তফা গৃহীত হয়নি
চিঠিতে বিপ্লব কর, দলীয় নেতৃত্বের কাছে পদ থেকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান করেছেন। সেই পরিস্থিতি দাঁড়িয়ে বিজেপির নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অশোক চক্রবর্তী ইস্তফাপত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, তা এখনও গ্রহণ করা হয়নি। দলীয়স্তরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে, তারপরেই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জল্পনা
বিজেপি থেকে ইস্তফার পরেই বিপ্লব করের তৃণমূলে যোগদান করা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। যদিও এব্যাপারে ওই নেতা বলেছেন, সময় এলেই তা জানা যাবে। তবে টাউন সভাপতির পদ থেকে সরানো হতে পারে সেই আঁচ করেই ওই নেতার ইস্তফা কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিজেপির অন্দর মহলে। স্থানীয় বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে বিপ্লব কর নির্দিষ্ট সময় টাউন সভাপতি হিসেবে অতিবাহিত করেছেন।

শান্তিপুর আসন ধরে রাখা নিয়ে প্রশ্ন
গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে শান্তিপুর আসনে প্রার্থী করা হয়েছিল জগন্নাথ সরকারকে। তিনি এই আসনে জয়ীও হন। এরপর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন জগন্নাথ সরকার। ইস্তফা দেওয়া বিপ্লব করের অভিযোগ, গত তিন বছরে সাংসদ শান্তিপুরের জন্য কোনও কাজ করেননি। তাঁর আরও অভিযোগ , বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পরেও শান্তিপুরের মানুষের কথা না ভেবে ইস্তফা দিয়েছিলেন জগন্নাথ সরকার।
রাজ্যে তিন কেন্দ্রে জয়ের দিনেই তৃণমূলের তরফে শান্তিপুরের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ব্রজকিশএার গোস্বামীকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপি কি আদৌ এই আসনে দখল বজায় রাখতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications