তৃণমূলের ‘সংকট’ মেটালেন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য! পঞ্চায়েতের পরই জঙ্গলমহলে ভিন্নসুর
পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতেও পঞ্চায়েত প্রধান খুঁজে পাচ্ছিল না তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সমস্যার সমাধান করে দিলেন বিজেপিরই এক পঞ্চায়েত সদস্য।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতেও পঞ্চায়েত প্রধান খুঁজে পাচ্ছিল না তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সমস্যার সমাধান করে দিলেন বিজেপিরই এক পঞ্চায়েত সদস্য। পুরুলিয়ায় এক গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেও পঞ্চায়েত প্রধান পদ হাতছাড়া হওয়া থেকে রক্ষা করলেন তিনি। পুরুলিয়ার ঝালদা এক নম্বর ব্লকের দড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বিজয় লায়া যোগ দিলেন তৃণমূলে।

শুধু তিনিই নন, বিজেপি আরও এক সদস্যা বিলাসী রুইদাসও যোগ দেন তৃণমূলে। তৃণমূলের এক অনুষ্ঠানে সাংসদ শান্তনু সেনের উপস্থিতিতে জেলা সভাপতি তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন। পুরুলিয়ার এই পঞ্চায়েতে তাঁদের যোগদানেই সকল সমস্যাল সমাধান ঘটে। পঞ্চায়েত প্রধান খুঁজে পায় তৃণমূল নেতৃত্ব।
দড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৩। এই ১৩ আসনের মধ্যে ৯টিতে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু জয়ীদের মধ্যে কোনও তফশিলি উপজাতি সদস্য না থাকায় বিপাকে পড়ে দল। এই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের পদ তফশিলি উপজাতি সংরক্ষিত। ফলে পঞ্চায়েতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সত্ত্বেও বিজেপিকে পঞ্চায়েত প্রধান পদ ছাড়তে হত।
অর্থাৎ ভোটে জিতলেও পঞ্চায়েতের রাশ থাকত বিজেপির হাতে। বোর্ড গঠনের আগে অবশ্য সেই দুশ্চিন্তা ঘুচে গেল তৃণমূলের। তৃণমূলের তফশিলি উপজাতি প্রার্থী যাঁর কাছে হেরেছিলেন সেই বিজেপি প্রার্থীই যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। বিজেপির টিকিটেজয়ী বিজয় লায়ার যোগদানে পঞ্চায়েত প্রধান পদের সমস্যা মিটল তৃণমূলের। বিজয় লায়াই হবেন দড়দা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান।
শান্তিরাম মাহাতো বলেন, পঞ্চায়েতের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি কেটে যেতেই সবাই আবার তৃণমূলমুখী। বহু গ্রাম পঞ্চায়েতেই দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সদস্যরা। তৃণমূলই একমাত্র বিকল্প ভেবে সবাই আসছেন।












Click it and Unblock the Notifications