অনুব্রতর ডাকে সাড়া বিজেপির একমাত্র বিধায়কের! সৌজন্য নাকি অন্য সমীকরণ, জল্পনা
বিজেপির টিকিটে বিধায়ক হয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতির ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলে তো জল্পনা বাড়বেই। অনুব্রত-গড়ে বিজেপির একমাত্র বিধায়ককে ঘিরে তাই এখন জোর চর্চা চলছে।
বিজেপির টিকিটে বিধায়ক হয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতির ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলে তো জল্পনা বাড়বেই। অনুব্রত-গড়ে বিজেপির একমাত্র বিধায়ককে ঘিরে তাই এখন জোর চর্চা চলছে। বিজেপি বিধায়ক তথা জাতীয় যুব মোর্চার সহ সভাপতি নাকি অনুব্রত মণ্ডলের ডাকেই বীরভূমে প্রশাসনিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন!

বিজেপি ঘোর চিন্তায় অনুব্রতর জেলায়
বীরভূমের দুবরাজপুরের বিধায়ক অনুপ সাহাকে নিয়ে এখন জল্পনা চরমে। তিনি দলকে না জানিয়েই অনুব্রত মণ্ডলের ডাকে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। আর সেটা তিনি করেছেন দলকে না জানিয়েই। অনুপ সাহার এই পদক্ষেপে বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপি ঘোর চিন্তায় অনুব্রতর জেলায় দলের একমাত্র বিধায়ককে নিয়ে।

অনুব্রতর ডাকে প্রশাসনিক বৈঠকে বিজেপি বিধায়ক
বীরভূম জেলায় ১১টি আসনের মধ্যে ১০টিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। একটি মাত্র আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিজেপির সেই একমাত্র বিধায়ককেই জেলা প্রশাসনের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারপর অনুব্রত মণ্ডল তাঁকে বলেন প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে। তারপর বিধায়ক যোগ দেন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে।

বিজেপি এখন ধন্দে, বিধায়ক তৃণমূলের বৈঠকে!
এই বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে বিধায়ক অনুপ সাহা নিজের দল বিজেপিকে কিছু জানাননি। দলকে অন্ধকারে রেখেই তিনি সটান প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ায় জল্পনার মাত্রা আরও বেড়ে গিয়েছে। বিজেপি এখন ধন্দে পড়েছে বিধায়কের বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে। নিছকই সৌজন্যের খাতিরে তিনি যোগ দিয়েছেন, নাকি অন্য কোনও সমীকরণ রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা পারদও চড়েছে।

বিধায়ক হিসেবে গিয়েছি, আমার কথা বলতে পেরেছি
বিজেপি বিধায়ক প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে একাধিক সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরেন। প্রশাসন সে সব গুরুত্ব দিয়েই শুনেছে। এবং দফতর ধরে ধরে আলোচনা করেছে। বিধায়ক অনুপ সাহাও খুশি এই বৈঠকে যোগ দিয়ে। তিনি বলেন, বিধায়ক হিসেবে গিয়েছি, আমার কথা বলতে পেরেছি, প্রশাসন শুনেছে, এটাই বড় কথা।












Click it and Unblock the Notifications