বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির পদত্যাগ, তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা তুঙ্গে
বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির পদত্যাগ, তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা তুঙ্গে
২০২১-এর বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি ভাঙতে শুরু করেছে। তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। মুকুল রায় তৃণমূল ফিরে আসার পর বিজেপিতে ভাঙন প্রবণতা বেশি করে লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠেছে। বিজেপিতে পদত্যাগের লাইন পড়েছে। এবার পদত্যাগ করলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি খালেক বিশ্বাস।

বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির পদত্যাগ
বিধানসভা ভোটের আগে বনগাঁ সংগঠনিক জেলার পুনর্বিন্যাস করেছিল বিজেপি। কিন্তু ভোট মিটতেই গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার পদ্মশিবির। এই গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বনগাঁর সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি খালেক বিশ্বাস পদত্যাগ করলেন। শনিবার রাতেই দলের জেলা সভাপতির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

খুব শীঘ্রই দলবদলের ঢল নামবে বনগাঁয়, জল্পনা
এদিন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি খালেক বিশ্বাস পদত্যাগ করার পর অন্য দলে যোগদানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, বনগাঁ বিজেপি বড় ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, খুব শীঘ্রই দলবদলের ঢল নামবে বনগাঁয়। বিজেপি ছাড়ার হিড়িক অব্যাহত রয়েছে। এবার শুধু ভিন্ন দলে যোগদানের অপেক্ষা।

এবার কি ফিরে যাবেন তৃণমূলে? তাৎপর্যপূর্ণ জবাব
২০১৯ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন খালেক। তারপর তাঁকে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি পদে বসানো হয়। বিজেপির কাঝে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এবার দলত্যাগ করেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এবার কি ফিরে যাবেন তৃণমূলে? নাকি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন তিনি। এই প্রশ্নের তাৎপর্যপূর্ণ উত্তর দেন খালেক বিশ্বাস।

রাজনীতির লোক, রাজনীতি করব, পদত্যাগ করে মন্তব্য
বিজেপি ছাড়ার পর সদ্য প্রাক্তন সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি বলেন, আমরা রাজনীতির লোক। তাই রাজনীতির বাইরে কিছু ভাবতে পারি না। রাজনীতি করব। অন্য কোনও দল যদি সম্মান দিয়ে ডাকে অবশ্যই ভেবে দেখব। তবে এখন কিছু ভাবিনি অন্য দলে যোগদানের ব্যাপারে। বিজেপিতে বনিবনা হচ্ছিল না, বিজেপি নেতাদের কাজে ক্ষুব্ধ হয়েই জেল সভাপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।
৫

মোহভঙ্গ হয়েছে দলত্যাগীদের, বিজেপি ছাড়ার হিড়িক
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি খালেক বিশ্বাসের এই পদত্যাগ প্রসঙ্গে তৃণমূলে জেলা কো-অর্ডিনেটর গোপাল শেঠ বলেন, এটা নতুন কোনও ব্যাপার নয়। প্রতিদিনই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। বনগাঁয় আর বিজেপি বলে কিছু থাকবে না। কিছু লোক নিজেদের স্বার্থে বিজেপিতে গিয়েছিল। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসতে না পারায় তাঁরা আর কেউ থাকতে চাইছে না। তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications