বিজেপির বৈঠকে মণ্ডল সভাপতিদের অনুপস্থিতি, সংকটমোচনের বৈঠকেই উঠে এল অস্বস্তি
বিজেপির বৈঠকে মণ্ডল সভাপতিদের অনুপস্থিতি, সংকটমোচনের বৈঠকেই উঠে এল অস্বস্তি
একুশের কুরুক্ষেত্রে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৌশলের কাছে হার মানতে হয়েছে বিজেপিকে। তারপর বিজেপিতে শুরু হয়েছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বিজেপি পথ খুঁজছে। সোমবার বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক শুরু হয়েছিল। মূলত বিভিন্ন সাংগঠনিক সভাপতিদের নিয়ে এই বৈঠক হলেও সেখানে গরহাজিরা নতুন করে ভাবাচ্ছে বিজেপিকে।

সুরাহা খুঁজতে গিয়ে আরও অস্বস্তিতে পড়ে গেল বিজেপি
সোমবার থেকে বিজেপির হেস্টিংস কার্যালয়ে আলোচনায় বসেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। দক্ষিণ ২৪ পরগনার তিনটি সাংগঠনিক জেলার বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন একাধিক মণ্ডল সভাপতি। মণ্ডল সভাপতিদের এই অনুপস্থিতি বিজেপি নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। সাংগঠনিক বৈঠকে সুরাহা খুঁজতে গিয়ে আরও অস্বস্তিতে পড়ে গেল বিজেপি।

বিজেপিতে ফের নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে
দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূর্ব জেলার ৪০ জন মণ্ডল সভাপতির মধ্যে মাত্র ১৩ জন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার ৩৩ জনের মধ্যে মাত্র তিনজন মম্ডল সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা আবার জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। ফলে বিজেপিতে ফের নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।

নিজের নম্বর ও ইমেল দিয়ে ক্ষোভ মেটালেন কেন্দ্রীয় নেতা
বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে মণ্ডল সভাপতিরা অভিযোগ করেন, বিধানসভা নির্বাচনে প্র্রার্থী নির্বাচন ঠিক হয়নি। যার কারণে বিজেপিকে গোহারা হারতে হয়েছে। দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। এরপর কেন্দ্রীয় নেতা শিব প্রকাশ নিজের নম্বর ও ইমেল দিয়ে জানানা, সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে যদি কারও কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তিনি সরাসরি ইমেল করতে পারেন।

পরিবর্তন দরকার, সাংগঠনিক রদবদলের ভাবনা
বিজেপি এই বৈঠকে বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতিদের সঙ্গে আলোচনার পর সাংগঠনিক রদবদল করা হতে পারে। তেমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছিলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যকর্তাদের পরিবর্তন দরকার। নতুনদের দলে জায়গা দিতে হবে। পদ আঁকড়ে পড়ে থাকা যাবে না। যাঁরা সক্রিয় তাঁদেরকে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ নিয়েও জল্পনা
সোমবার বিজেপির তিনদিনের সাংগঠনিক বৈঠক শুরুর আগে থেকেই গুঞ্জনও ছড়িয়েছে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে রদবদল নিয়েও। এমনকী বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। রাজ্য সভাপতির পদ থকে দিলীপ ঘোষ সরছেন, নাকি তাঁকে নেতৃত্বে রেখেই অন্যান্য সাংগঠনিক স্তরে পরিবর্তনের পক্ষে বিজেপি।

জল্পনা রাজ্য কমিটির অন্যান্য পদ নিয়েও
দলের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠক হয় দলের তারকাদের নিয়েও। সাংগঠনিক রদবদলের সম্ভাবনা তো আছেই। দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতি রয়েছেন টানা দ্বিতীয় মেয়াদ। তাঁর সঙ্গে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের ফোনালাপও চলছে। তাতেই জল্পনার পারদ চড়েছে তাঁর পদ নিয়ে। জল্পনা রাজ্য কমিটির অন্যান্য পদ নিয়েও।












Click it and Unblock the Notifications