নীরবে বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে দিলেন মমতা, মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ তিন নেতা তৃণমূলে
বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেলের কনভেনরই দল ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে। তিনি বিজেপির টিকিটে আসানসোল থেকে ভোটেও লড়েছিলেন।
রাজ্যজুড়ে মুকুল রায়ের নেতৃত্বে বিজেপি যখন তৃণমূল ভাঙার খেলায় মেতেছেন, তখন নিঃশব্দে বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেলের কনভেনরই দল ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে। তিনি বিজেপির টিকিটে আসানসোল থেকে ভোটেও লড়েছিলেন। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী সেই নেতা যোগ দিলেন মমতার দলে। একইসঙ্গে শিল্প বিশেষজ্ঞ সুপর্ণ মৈত্রও তৃণমূলে নাম লেখালেন। কংগ্রেস নেতার বোন সোনালি সিংহরায়ও যোগ দিলেন তৃণমূলে। তিনজনই মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদানের পরই তৃণমূলের নিচুতলায় ভাঙন শুরু হয়েছিল। বড় কোনও নাম মুকুল রায়ের সঙ্গে এখনও না এলেও, জঙ্গলমহল থেকে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের নিচুতলায় ভাঙন শুরু হয়। বেশ কিছু এলাকায় কর্মীরা দলবদল করে। যখন এই প্রবণতা পুরো রাজ্যজুড়েই চলছে, তার মধ্যেই একেবারে উল্টোপথে হেঁটে বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে ছাড়ল তৃণমূল।
শনিবার তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন দীপ্তাংশুবাবু ও সুপর্ণবাবুর হাতে। পার্থবাবু বলেন, দীপ্তাংশুবাবু ও সুপর্ণবাবুকে পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সমৃদ্ধ হল। এঁদের দুই ভিন্ন ক্ষেত্রে বিপুল অভিজ্ঞতা রয়েছে। দল সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন দুই বিশেষজ্ঞকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে। দল সেই নির্দেশ মেনে চলবে।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে বিজেপি কোনও ফ্যাক্টরই নয়, বিজেপি শুধু কয়েকজনকে ব্যবহার করে কাদা ছোঁড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যাঁরা নিজেরাই কাদা মেখে রয়েছেন, তাঁরা কী করে কাদা ছুঁড়বেন। আগামী দিনে প্রমাণিত হয়ে যাবে, বিজেপি রাজ্যে শূন্য হাতেই থাকবে। বর্তমান নির্বাচনগুলোও তো সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। কেউই মমতার মতো ত্যাগ আর তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে রাজনীতির আঙিনায় আসেননি। ওরা কাগজে নাম তোলার জন্য নানা কথা বলছে, ওঁরা বলে যাক। তৃণমূলের কিছু ক্ষতিই ওঁরা করতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications