তৃণমূলের কাছে বিজেপির হারের চার কারণ! জেলা সভাপতিরা তৈরি রেখেছেন রিপোর্ট

তৃণমূলের কাছে বিজেপির হারের চার কারণ! জেলা সভাপতিরা তৈরি রেখেছেন রিপোর্ট

বাংলার নির্বাচনে তৃণমূলের হারের কারণ খতিয়ে দেখতে বিজেপি এবার বৈঠক বসতে চলেছে। ২৯ জুন বিজেপির কার্যকারিণী বৈঠকে জেলা সভাপতিরা দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সামনে রিপোর্ট পেশ করবেন। সেখানে উঠে আসতে চলছে হারের নানা কারণ। রিপোর্ট আকারে তা পেশ করতে প্রস্তুত জেলা নেতারা।

বিজেপির হারের পিছনে চার কারণ!

বিজেপির হারের পিছনে চার কারণ!

জেলা সভপাতিদের রিপোর্টে উঠে আসতে পারে বেশ কিছু ইস্যু। তার মধ্যে প্রধান চারটি কারণ তাঁরা তাঁদের রিপোর্ট কার্ডে তুলে ধরতে চলেছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনেই তা আলোচনা জেলার নেতারা। রাজ্য নেতৃত্বের সামনেই কেন্দ্রীয় নেতারা কথা শুনবেন জেলার নেতাদের। মূলত কার দিকে জেলার নেতারা আঙুল তোলেন, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

প্রথম কারণ দলবদলুরা, লাভ নয় ক্ষতি

প্রথম কারণ দলবদলুরা, লাভ নয় ক্ষতি

জেলা নেতারা প্রথম কারণ হিসেবে তুলে ধরতে চলেছেন দলবদলুদের কথা। তাঁদের সোজা কথা, দলবদলুদের নিয়ে কোনও লাভ হয়নি বিজেপির। বরং উল্টে ক্ষতি হয়েছে। সেটা তুলে ধরা হবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনে। কেন তাঁদের নিয়ে লাভ হয়নি আর তাঁদের নিয়ে কী ক্ষতি হয়েছে, তার ব্যাখ্যাও দেবেন জেলা সভাপতিরা।

প্রাধান্য পায়নি বিজেপির আদিনেতারা

প্রাধান্য পায়নি বিজেপির আদিনেতারা

দ্বিতীয় কারণ, দলবদলু নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া। দলবদলু নেতারা বেশিরভাগই তৃণমূল থেকে এসেছেন। সেইসব তৃণমূল-ত্যাগী নেতাদের নিয়ে নেচেছে বিজেপির নেতৃত্ব। বিজেপির পুরনো কর্মীরা প্রাধান্য না পেয়ে অনেকেই নিষ্ক্রিয় ছিলেল ভোট-পর্বে। ফলে বিজেপির আদতে শক্তি বাড়েনি। বরং শক্তিক্ষয় হয়েছিল।

প্রার্থী নির্বাচন ভুলে ভরা, তৃতীয় কারণ

প্রার্থী নির্বাচন ভুলে ভরা, তৃতীয় কারণ

তৃতীয় কারণ হিসেবে জেলা সভাপতিরা তুলে ধরতে চলেছেন, প্রার্থী নির্বাচনে ভ্রান্তির কথা। অনেক ক্ষেত্রেই বিজেপির প্রার্থী নির্বাচন সঠিক ছিল না। বেশ কিছু কেন্দ্রে এমন প্রার্থী করা হয়েছে, যাঁর জনসমর্থন নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কোন কোন কেন্দ্রে প্রার্থী নির্বাচনে ভুল হারের কারণ, তাও তাঁরা তুলে ধরতে চান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনে।

রাজ্য নেতাদের ব্রাত্য করে রাখা

রাজ্য নেতাদের ব্রাত্য করে রাখা

আর চতুর্থ কারণ হল, ভোটের রণকৌশল তৈরিতে বা ভোটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে রাজ্য নেতাদের ব্রাত্য করে রাখা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিজেদের ঘাড়ে অনেক বেশি দায়িত্ব রেখেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের উপরে তা বর্তায়নি। ফলে রাজ্য নেতারা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের ব্রাত্য মনে করেছে ভোট-রণাঙ্গনে।

সংগঠনে রদবদলের সমূহ সম্ভাবনা

সংগঠনে রদবদলের সমূহ সম্ভাবনা

মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিজেপির রাজ্য কার্যকারিণী বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত চার কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেনন ও অমিত মালব্য। থাকবেন দিলীপ ঘোষ-সহ রাজ্য নেতারা। এবং ভার্চুয়ালি থাকবেন জেপি নাড্ডা। এই বৈঠকের পর দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনে রদবদলও করা হতে পারে। জেলা সংগঠনেও রদবদল হতে পারে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+