মতুয়া-ভোট নিয়ে লড়াই তুঙ্গে, মোদীর সভা বিতর্কে মমতার কাছে হারলেন মুকুল-শান্তনু
মতুয়া-ভোট কার দিকে যাবে, মমতা না মোদীর- তা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই চাপানউতোর চলছে। মোদীর ঠাকুরনগরের সভা এবং বড়মার সাক্ষাৎপ্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।
মতুয়া-ভোট কার দিকে যাবে, মমতা না মোদীর- তা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই চাপানউতোর চলছে। মোদীর ঠাকুরনগরের সভা এবং বড়মার সাক্ষাৎপ্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। মোদীর সভাস্থল নিয়েও শুরু হয় বিতর্ক। শেষমেশ পিছু হটতে হল বিজেপিকে। ২ ফেব্রুয়ারি মোদীর সভা হচ্ছে না ঠাকুরবাড়ির মেলার মাঠে।

শান্তনু ঠাকুর পিছু হটলেন
মতুয়া মহাসংঘের সভাধিপতি বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর শেষপর্যন্ত পিছু হটলেন মোদীর সভা নিয়ে। ঠাকুরবাড়ির মেলার মাঠ থেকে সরে এসে যেখানে হেলিকপ্টার নামার কথা ছিল, সেই মাঠেই প্রধানমন্ত্রীর সভা করা হচ্ছে। শান্তনু ঘোষণা করেছিলেন মেলার মঠে মোদীজির সভা হবে। ওঅই একই মাঠে কীর্তন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মমতাবালা ঠাকুর।

ধোপে টিকল না প্রতিরোধ
মমতাবালা ঠাকুরের এই কর্মসূচি ঘোষণার পরই ঠাকুরবাড়ির মেলার মাঠের দখল নেন শান্তনু। কিন্তু প্রতিরোধ ধোপে টিকল না। শেষপর্যন্ত মতুয়া-আবেগে আঘাত লাগতে পারে ভেবে শান্তনু সরে দাঁড়ালেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই মোদীর সভা ও বীণাপাণিদেবীর সঙ্গে সক্ষাৎ নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন বিজেপিকে।

চ্যালেঞ্জের পরও পিছু হটা
শান্তনু পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছিলেন, ওই মাঠ কি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পৈত্রিক সম্পত্তি, উনি বলার কে? প্রধানমন্ত্রী চাইলে ওই মাঠেই সভা হবে। কিন্তু কয়েকঘণ্টার মধ্যেই তিনি পিছু হটে জানিয়ে দেন, মেলার মাঠে সভা হচ্ছে না। আমরা হেলিকপ্টার নামার মাঠেই সভা করব। কোন সভায় বেশি লোক হয় সেটাই এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ।

মুকুলের নিশানায় তৃণমূল
মুকুল রায় দাবি করেন, ঠাকুরবাড়ির মেলার মাঠে সভা করার জন্য বীণাপাণি দেবী নিজে অনুমতি দিয়েছিলেন। তার পরেও ঝঞ্ঝাট পাকানো হচ্ছে। তবে অসুবিধা নেই, আমরা পাশের মাঠেই সভা করব। স্থির হয়েছে, যেহেতু ধর্মীয় সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কোনও কর্মী সেখানে দলীয় পতাকা নিয়ে যাবেন না।












Click it and Unblock the Notifications