BJP’s Organization: বঙ্গ বিজেপিতে অবাঙালিদের রমরমা! জেলা কমিটি নিয়ে চিঠি খোদ অমিত শাহকে
বঙ্গ বিজেপিতে দাপট অবাঙালিদের। জেলা কমিটিতে অবাঙালি নেতাদের রমরমা। সেখানে গুরুত্বহীন বাঙালিরাই। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দলের একাংশ চিঠি দিল খোদ অমিত শাহকে। ক্ষোভ তো ছিলই, সেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ হল চিঠিতে।
কেন কলকাতা জেলা কমিটিতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের এত রমরমা, তা জানতে চাইলেন বিজেপির নেতা-নেত্রীরাই। এর আগেও এই বিষয় নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। এবার সেই অভিযোগ লিখিত আকারে গেল খোদ অমিত শাহের হাতে।

এবার এই প্রশ্ন উঠেছে মূলত দক্ষিণ কলকাতা জেলা কমিটি নিয়ে। সেখানে অবাঙালিদেরই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতা জেলা কমিটি তৈরি হয়েছে বিজেপির। মোট ২৫ জনের কমিটি তৈরি করা হয়েছে, সেই কমিটিতে আধিক্য অবাঙালিদের।
বিজেপির একাংশের অভিযোগ, ২৫ জনের কমিটির মধ্যে ১৩ জনই অবাঙালি। ১২ জন বাঙালি। ফলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে বিজেপিতে। শুধু জেলা কমিটি নয়, বিজেপির রাজ্য কমিটি ও যুব মোর্চা কমিটিতেও অবাঙালি সদস্য বেশি। কলকাতার দুই জেলা কমিটিতেও বেশি অবাঙালি।
বিজেপির একাংশের প্রশ্ন বাংলার সংগঠনে কেন বাঙালি নেতা-নেত্রীদের ব্রাত্য করে রাখা হবে। তাহলে কি এগোতে পারবে বিজেপি। বিজেপির বাঙালি নেতৃত্ব এই ঘটনায় প্রচন্ড ক্ষুব্ধ। বারবার বলেও কর্ণপাত করানো যায়নি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। এবার তাই বিজেপির সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অমিত শাহকে সরাসরি চিঠি লিখে বসলেন এক শ্রেণির নেতারা।
এই চিঠিতে হুঁশিয়ারিও দিলেন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সাফ কথা, এইরকম চলতে থাকলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁরা কাজ করবেন না, তাঁরা বসে যাবেন। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক থেকে রাজ্য কমিটি, যুব কমিটি থেকে জেলা কমিটি, সর্বত্রই যদি অবাঙালি নেতৃত্ব হয়, তাহলে দল বাড়বে কী করে।
বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতারা এই মর্মে জানিয়েছেন, কলকাতা জেলা কমিটি দেখলে মনেই হবে না, এটা পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কোনও জেলা কমিটি। বিহার বা উত্তরপ্রদেশের কমিটি বলেই সাধারণভাবে মনে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে যদি বিজেপি বেরিয়ে আসতে না পারে, তবে সমূহ বিপদ।
বিজেপির বিগত নির্বাচনগুলিতে বারবার এই বাঙালি-অবাঙালি প্রশ্ন বড়ো হয়ে দেখা দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়নি। রাজ্যের শাসকদল থেকে শুরু করে অন্যান্য বিজেপিকে বাংলার দল নয় বলে তকমা সেঁটে দিচ্ছে। আর তা ভুল প্রমাণিত করার কোনও জায়গাই নেই। তাই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যদি বিষয়টিকে না গুরুত্ব দেয়, তবে সমূহ বিপদ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে।












Click it and Unblock the Notifications