মমতার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন এবার মোদীর দরবারে! সাঁড়াশি আক্রমণের কৌশল ‘চাণক্যে’র
বিজেপির ‘চাণক্য’ সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বঙ্গ বিজেপিকে পরামর্শ দিয়েছেন মনোনয়নে ব্যর্থ প্রার্থীদের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির দরবার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে।
পঞ্চায়েত-যুদ্ধে এবার নতুন অস্ত্র শান দিতে চলেছে বিজেপি। ময়দান ছেড়ে তারা পালাবে না। বরং এবার পঞ্চায়েতের যুদ্ধকে দিল্লির দরবার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে চায় বঙ্গ বিজেপি। আর এই কাজের মূল উদ্যোক্তা বিজেপির 'চাণক্য' সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের। তিনিই বঙ্গ বিজেপিকে পরামর্শ দিয়েছেন মনোনয়নে ব্যর্থ প্রার্থীদের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির দরবার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে।

রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্তি-হিংসা লেগে রয়েছে বিজ্ঞপ্তি জারির পর থেকেই। বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। শাসকের সন্ত্রাসে আহত হয়েছেছেন বহু নেতা-নেত্রী। এবার তাঁদেরকে মোদীর দরবারে নিয়ে যেতে চলেছেন অমিত শাহ। সোমবার রাতে বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ আইনি-যুদ্ধ মিটলেও পঞ্চায়েতের লড়াইকে দিল্লির দরবার পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়ে প্রতিবাদকে চরম রূপ দিতে চাইছে বিজেপি। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের দরবারেও যেতে পারেন মনোনয়নে ব্যর্থ বিজেপির প্রার্থী ও আক্রান্ত নেতা-নেত্রীরা। আইনি লড়াইয়ের পর তৃণমূলের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করাই বিজেপির একমাত্র লক্ষ্য। মোট কথা সাঁড়াশি আক্রমণে তৃণমূলকে জেরবার করার কৌশল অবলম্বন করতে চাইছে বিজেপি।

একদিকে আদালতে আইনি লড়়াই, রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির দরবারে সেই প্রতিবাদকে টেনে নিয়ে যাওয়া। বিজেপির এই কৌশল বর্তমান রাজ্য-রাজনীতির নিরিখে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ৪০ শতাংশের বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। সেইসমস্ত আসনের মনোনীত প্রার্থীদেরই নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লি।
উল্লেখ্য, বিজেপি এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে ২৬ হাজার, পঞ্চায়েত সমিতিতে পাঁচ হাজার ও জেলা পরিষদে ৬০০ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। প্রায় ১৯ হাজার আসনে তাঁরা প্রার্থী দিতে পারেনি বলে দাবি বিজেপির। আদালত মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন বাড়ালে ওই আসনে মনোনয়ন জমা দিতে তৈরি বিজেপি নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications