তৃণমূলের কয়লা খনিতে প্রচুর হিরে! বিজেপির বার্তায় বঙ্গ রাজনীতিতে বিরাট জল্পনা
তৃণমূল কয়লা খনি। সেই কয়লা খনি থেকে হিরে বেছে নিচ্ছে বিজেপি। মুকুল-অর্জুন-মনিরুল-সহ তৃণমূল নেতাদের দলে যোগদান করিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।
তৃণমূল কংগ্রেস কয়লা খনি। সেই কয়লা খনি থেকে হিরে বেছে নিচ্ছে বিজেপি। মুকুল-অর্জুন-মনিরুল-সহ তৃণমূল নেতাদের দলে যোগদান করিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দাবি মুকুল রায়-অর্জুন সিংরা বিজেপিতে এসে হিরেতে পরিণত হয়েছেন। স্রেফ কালো কয়লা পড়ে থাকছে তৃণমূলে।

২০১৯ লোকসভা ভোটের প্রায় দেড় বছর আগে মুকুল রায়কে দলে নিয়েছে বিজেপি। তারপর সেই মুকুলই ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করিয়েছেন বিজেপিকে। তৃণমূলের তৃণমূলস্তরকে ভেঙে বিজেপির সংগঠন বাড়িয়ে তুলেছেন। সেই মুকুলের সঙ্গে যোমন সারদা-নারদা কাঁটা ছিল, তেমনই মুকুলের হাত ধরে যে সমস্ত নেতারা এসেছেন বিজপিতে, তাঁদের বিরুদ্ধেও কম অভিযোগ ছিল না।
এবার তাঁরাই পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন রাজ্যে। সৌমিত্র খান থেকে নিশীথ প্রামাণিক, অর্জুন সিং থেকে মুকুল রায়- তাঁদের উপরই ভরসা করে বাংলায় বিস্তার লাভ করেছে বিজেপি। তারপরও যাঁরা এসেছেন মুকুল হাত ধরে, তাঁদের নিয়েও কম বিতর্ক নেই। এসব কিছুর উত্তরেই একটা কথা সাফ জানালেন কৈলাশ। তৃণমূলের কয়লা খনি থেকে তাঁরা হিরে খুঁজে নিচ্ছেন।
এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, ২০২১-এ যদি রা্জযে পরিবর্তন হয়, তা কি সত্যিকারের পরিবর্তন হবে। সেই তৃণমূল নেতাদেরই তো দেখা যাবে ভিন-জার্সিতে। তা নিয়েই এই মন্তব্য পেশ করেছেনে বিজেপির পর্যবেক্ষক। তিনি বলেন, মমতার অহঙ্কার রাজ্যের ক্ষতি করছে। তাই মমতার তোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছেন।
কৈলাস এ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন, বিজেপি বিনয় দেখাচ্ছে মানে কিন্তু বিজেপি দুর্বল নয়। রাজ্যে হিংসা ছড়াচ্ছে তৃণমূল। আমরা হিংসার উত্তর হিংসা দিয়ে দিতে পারি। কিন্তু বিজেপি দেশের দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল। তাই আমরা হিংসা দিয়ে নয়, গণতন্ত্রের লড়াইয়েই তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জবাবটা দেব।












Click it and Unblock the Notifications