বাংলায় এনআরসি বিশ বাঁও জলে, প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য ক্ষমতার অপেক্ষায় বিজেপি
লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির অন্যতম ইস্যু ছিল রাজ্যে এনআরসি প্রয়োগ করা। কিন্তু ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর দু'মাস পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে রয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির অন্যতম ইস্যু ছিল রাজ্যে এনআরসি প্রয়োগ করা। কিন্তু ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর দু'মাস পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে রয়েছে। এনআরসি-র মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উত্তরবঙ্গ এবং বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অন্যান্য জেলাগুলিতে ভোট করেছিল বিজেপি।

বাংলার সীমান্তবর্তী জেলাগুলির মধ্যে পড়ে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা। এই ১০টি জেলায় মোট ১৩টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি ন-টি কেন্দ্রে জয় পায়। উত্তরবঙ্গে আটটির মধ্যে সাতটিতে জয় পায়। আর দক্ষিণবঙ্গে পাঁচটির মধ্যে বিজেপি জয় পায় দুটিতে।
এই পরিস্থিতিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে দল ক্ষমতায় আসার পরেই এনআরসি প্রক্রিয়া শুরু করবে। প্রতিশ্রুতি যখন দিয়েছে বিজেপি, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেনই তারা। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই বাংলায় এনআরসি নিয়ে আসব। তবে অসমের এনআরসি বিজেপির নির্দেশে নয়, আদালতের নির্দেশে এনআরসি হয়েছে ওখানে।
[স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সারা দেশের কোথায় কী চলছে, দেখুন ছবিতে]
তিনি বলেন, এনআরসি লাগু করার জন্য, আমাদের রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা দরকার। বিরোধী দল হয়ে বিজেপি বাংলায় এ জাতীয় প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে না। তাঁর কথায়, বিজেপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন করে। উদাহরণ হিসাবে তিনি কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ৩৭০ ধারা বিলোপের মতোই বাংলাতেও আমরা এনআরসি করব। যদিও বিজেপির এক সাংসদ বলেছিলেন, বাংলায় এনআরসি নিয়ে কোনও প্রস্তাব নেই কেন্দ্রের।












Click it and Unblock the Notifications