নজরে পঞ্চায়েত! অভিষেকের ‘নবজোয়ারে’র পাল্টা বিজেপির যুব মোর্চা নামছে সম্পর্ক যাত্রায়
অভিষেকের নবজোয়ারের যাত্রা তরতরিয়ে এগিয়ে চলেছে লক্ষ্যের দিকে। নবজোয়ার শেষ হলেই পঞ্চায়েতের দামামা বেজে যাবে। কিন্তু এখনও কোনো পাল্টা কর্মসূচি নেয়নি বিজেপি। তবে বিজেপিও বসে থাকার পাত্র নয়, শীঘ্রই নবজোয়ারের পাল্টা যুব মোর্চার পদযাত্রা করতে চলেছে।
বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসক ও বিরোধী সব পক্ষই। সবাই চাইছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছতে। সেই লক্ষ্যেই উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে নবজোয়ার যাত্রা শুরু করেছেন অভিযেক।

ইতিমধ্যে নবজোয়ার যাত্রায় উত্তরবঙ্গ সফর পেরিয়ে দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বর্ধমান পেরিয়ে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছে। আর তাঁকে পাল্টা দিতে আসরে নামছে বিজেপিও। গেরুয়া শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে, এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে নতুন করে গ্রাম সম্পর্ক অভিযান শুরু করবে।
প্রথম পর্যায়ে ভারতীয় জনতা পার্টি গ্রাম সম্পর্কিত অভিযান সুসম্পন্ন করেছে। এবার ভারতীয় যুব মোর্চা দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান নামছে। এই অভিযান শুরু হবে জলপাইগুড়ি থেকে। আগামী জুন মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে বিজেপির যুব মোর্চার এই দ্বিতীয় পর্যায়ের যাত্রা।

এই পর্বে ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রকে টার্গেট করা হয়েছে। এই ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তত ৫০০টি গ্রামে পৌঁছবে বিজেপির যুব মোর্চা। মোট ৫০০০ কিলোমিটার পথ পরিক্রমা করা হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০০টি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ১ হাজারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ হাজারটি গ্রামে পৌঁছবেন যুব মোর্তার কর্মকর্তারা।
প্রত্যেকটি বিধানসভা কেন্দ্রে কমপক্ষে ২৫ কিলোমিটার পথ পরিক্রমা করা হবে। যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য যুব মোর্চার এই পদযাত্রায় অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়াও থাকবেন দলের বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে রাজ্যে ও কেন্দ্রের নেতা-নেত্রীরা।

বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, ২১ দিন ধরে চলবে এই পদযাত্রা। এই পদযাত্রা মোট চার দফায় হবে। প্রথম পর্বে ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে। এবার শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। তারপরও আরও দুটি পর্ব হবে। এই গ্রাম সম্পর্ক অভিযানের লক্ষ্য ঘরে ঘরে বার্তা পৌঁছে দেওয়া, হাট সভা করা। তারপর দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সভার আয়োজন করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
এদিকে অভিযেক কোচবিহার থেকে নবজোয়ার কর্মসূচিতে জনসংযোগ যাত্রা শুরু করেছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এই নবজোয়ার যাত্রায় ভোটগ্রহণের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রার্থী স্থির করা। তাঁর এই কর্মসূচকে পাল্টা দিতে বিজেপি তাদের গ্রাম সম্পর্ক অভিযানেরর দ্বিতীয় পর্ব শুরু করতে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications