পুলিশ পেটানোর নিদান দিয়ে গ্রেফতার বিজেপি জেলা সভাপতি, ইসলামপুরে উত্তেজনা
পুলিশ গ্রামে ঢুকলে গাছে বেঁধে পেটানোর নিদান দিয়েছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী। পাঁচঘণ্টার মধ্যেও বিজেপির জেলা সভাপতিকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
পুলিশ গ্রামে ঢুকলে গাছে বেঁধে পেটানোর নিদান দিয়েছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী। রবিবার তিনি ইসলামপুরের গ্রামে ঢুকে উসকানিমূলক মন্তব্য করে পুলিশকে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেন। তার পাঁচঘণ্টার মধ্যেও বিজেপির জেলা সভাপতিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। করণদিঘি থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজেপি জেলা সভাপতিকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের আইজি আইনশৃঙ্খলা অনুজ শর্মা বলেন, কারও হাতে মাইক থাকলেই, তিনি যা খুশি বলতে পারেন না। উনি উসকানিমূলক কথা বার্তা বলে এলাকা উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হল। তিনি জানান, ইসলামপুরে ছাত্র খুন ও হিংসার ঘটনায় জড়িতদের শীঘ্রই গ্রাফতার করা হবে।
হিংসার ঘটনার পর চারদিন কেটে গেলেও, থমথমে ইসলামপুর। বিজেপির জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী তখন গ্রামে ঢুকে প্রকাশ্য সভায় পুলিশকে হুমকি দিলেন। ইসলামপুরের দাঁড়িভিট গ্রামের মানুষকে উসকে দিলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। এমনিতেই পুলিশের বিরুদ্ধে ফুঁসছে গোটা গ্রাম। তারপর বিজেপি নেতার জ্বালাময়ী ভাষণ এলাকাকে আরও অশান্ত করেত পারে বলেই মনে করছে পুলিশ।
বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী এদিন পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার বার্তা দিয়ে বলেন, পাহারা দিতে হবে গ্রামে, পুলিশ যেন ঢুকতে না পারে। আর গ্রামে পুলিশ ঢুকলে যেন বেরোতে না পারে। গাছে বেঁধে রেখে প্রহারের নিদান দেন তিনি। কার্যত পুলিশ পেটানোর নিদান দিয়ে তিনি জানান, পুলিশ আহত হয়ে পড়ে থাকলেও কেউ তাঁকে তুলে নিয়ে যাবেন না হাসপাতালে। কুকুরকে তুলে নিয়ে যাবেন তো পুলিশকে নয়। এমনকী পুলিশের সন্তানদের সঙ্গেও একই ব্যবহারের কথা বলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications