বাংলায় বিজেপির ক্ষমতায় আসা দরকার, মোদী পরিবারে গিয়ে দাবি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের
বাংলায় বিজেপির ক্ষমতায় আসা দরকার। রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্ত দল তৃণমূল রয়েছে। রাজ্য সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরাসরি মাঠে নেমে লড়াই হবে। বিজেপিতে যোগদান করে এমনই কড়া বার্তা দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
লক্ষ্মীবারে সল্টলেক বিজেপির পার্টি অফিসে তখন চাঁদের হাট। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে এক হেভিওয়েট যোগদান পর্ব। কলকাতা হাইকোর্টের সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন। নরেন্দ্র মোদী পরিবারের অংশ হলেন তিনি।

আর এই যোগদান ঘিরেই উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মাঝখানে তখন বসে রয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সুকান্ত মজুমদারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মঙ্গল পান্ডে। তাঁর পাশে রয়েছেন আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল।
পুষ্পস্তবক, উত্তরীয় দিয়ে বরণ করা হয় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এরপর দলের পতাকা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আজ থেকেই রাজনীতির ময়দানে পা রাখলেন তিনি। একথা নিজেই বার্তা দিলেন অভিজিৎ।
বাংলা ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। তাই দেখে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অত্যন্ত আঘাত পান। সেই কারণেই তিনি বিজেপিতে যোগদান করলেন। বাংলায় বিজেপির ক্ষমতায় আসা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিজেপির মাধ্যমে রাজ্যের উন্নয়ন হবে। জোর গলায় এই দাবি করছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। রাজ্য সরকারও দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছে। সেই কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সিরিয়াস লড়াই করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই রাজনীতির ময়দানে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী দিনে দল যে দায়িত্ব দেবে, তা তিনি পালন করবেন। দলের দেখানো পথে তিনি কাজ করবেন। দায়িত্ব পালন করবেন। বললেন প্রাক্তন বিচারপতি।
রাজ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধেই এই লড়াই হবে। সরকারের বিদায় লগ্নের সূচনা করতে হবে। জোর গলায় দাবি করলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিজেপিতে যোগ দিয়ে এদিন বেশি কিছু বলতে চাননি। আগামী দিনে ঠিকঠাক কাজ করছেন কী না, তাও দেখার কথা বললেন প্রাক্তন বিচারপতি।
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া সম্পর্কে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। বিচারপতি থাকাকালীন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। বিচারপতির চেয়ারে থেকে তিনি এই কাজ করেছেন। এই কাজ আদৌ কি সম্ভব? প্রশ্ন তুলেছেন মন্ত্রী। বিচারপতির চেয়ারকে অসম্মান করা হয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের।












Click it and Unblock the Notifications