রামপুরহাট কাণ্ড নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদীর দরবারে বঙ্গের বিজেপি সাংসদরা
রামপুরহাট কাণ্ড নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী মোদীর দরবারে বঙ্গের বিজেপি সাংসদরা
রামপুরহাট কাণ্ড নিয়ে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দরবারে বঙ্গের বিজেপি সাংসদরা। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ঘটনার রিপোর্ট পেশ করবেন। এর আগে জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট দিয়েছে বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাতে বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মোদীর দরবারে বঙ্গের বিজেপি সাংসদরা
গতকালই জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিজেপির প্রতিনিধি দল। তারপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বঙ্গের বিজেপি সাংসদদের দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী সময় দিতে পারেননি গতকাল। আজ তাই বঙ্গ বিজেপির সাংসদদের সময় দিয়েছেন তিনি। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী বাসভবনে গিয়ে তাঁরা দেখা করবেন। সেখানে বঙ্গের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার কথা তাঁদের। বগটুই হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা।

জেপি নাড্ডাকে রিপোর্ট
গতকালই বিজেপির প্রতিনিধি দল সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডােক রামপুরহাট কাণ্ডের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। তাতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি দাবি করেছেন। এবং অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে বঙ্গে আইনশৃঙ্খলার কোনও শাসন নেই বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাতেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রামপুরহাট কাণ্ডের সিবিআই তদন্ত
রামপুরহাটকাণ্ডের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিেয়ছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাতে রুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারির দাবি করায় প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। বিজেপির প্রতিনিধিদলের এই রিপোর্ট সিবিআই তদন্তকে প্রভাবিত করবে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এই নিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্য পুলিশের উপরে আস্থা নেই দাবি করেই হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিল বিজেপি। তাতে এক প্রকার মান্যতা দিয়েই কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়।

বড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
রামপুরহােটর বগটুই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গতকাল দাবি করেছেন এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপির হাত রয়েছে। বিজেপির মদতেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বাংলাকে অশান্ত করার চক্রান্ত চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় একের পর এক রহস্য উদ্ঘাটন হতে শুরু করে দিয়েছে। এই ঘটনায় ৪০ জন জড়িত থাকতে পারে বলে দাবি করেছে সিবিআই। তলব করা হতে পারে বীরভূমের পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে।












Click it and Unblock the Notifications