সম্ভবত মোদীর মুখোমুখি হওয়া হচ্ছে না বাংলার বিজেপি সাংসদদের! কিন্তু কেন?
বাংলার বিজেপি সাংসদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। হঠাত এই সাক্ষাৎ কেন তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রামপুরহাট-কাণ্ডের মধ্যে কেন বাংলার সাংসদদের ডাকলেন মোদী? তা নিয়ে বিশেষ কৌতূহলও তৈরি হয় বঙ্গের
বাংলার বিজেপি সাংসদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। হঠাত এই সাক্ষাৎ কেন তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রামপুরহাট-কাণ্ডের মধ্যে কেন বাংলার সাংসদদের ডাকলেন মোদী? তা নিয়ে বিশেষ কৌতূহলও তৈরি হয় বঙ্গের রাজনীতিতে।

কিন্তু শেষ পর্যায়ে সেই বৈঠক বাতিল করা হল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই বৈঠক নিয়ে প্রথম থেকেই নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার সূচিতে বদল করা হয়। শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায় এই বৈঠক।
প্রথমে আগামীকাল বুধবার বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই জানানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী বাসভবনে এই বৈঠক হবে। কিন্তু সেই সূচিতে বদল আনা হয়। আর তা পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করে দেওয়া হয়। সূচি বদল করে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা করা হয়েছিল। এবার ফের একবার তা বাতিল হল। ফলে চলতি মাসে সম্ভবত আর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাতঃরাশ সম্ভব হচ্ছে না বাংলার সাংসদদের।
কিন্তু কেন বারবার সূচিতে বদল এবং শেষমেশ তা বাতিল করা হল? জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আগে থেকে নির্দিষ্ট কর্মসূচি রয়েছে। আর সেই সময়ে বিজেপি সাংসদদের সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না প্রধানমন্ত্রীর। আর সেই কারণেই শেষ মুহূর্তে কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বাংলার বিজেপি সাংসদরা কবে মোদীর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন, সেই বিষয়ে পরে জানানো হবে। এমনটাই জানানো হয়েছে।
তবে এই বৈঠক কেন ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তা নিয়ে একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অন্তত রামপুরহাট কাণ্ড নিয়ে যখন উত্তাল বাংলা সেই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর বিষেশ নজরে বাংলার সাংসদরা। বলে রাখা প্রয়োজন এই বৈঠকে মনে করা হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে কথা হতে পারে। বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা।
একের পর এক খুনের ঘটনার অভিযোগ। এই অবস্থায় বাংলায় ৩৫৬ জারির কথাও বলা হচ্ছে। এমনকি খোদ অধীর চৌধুরীও বাংলায় আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে লোকসভায় সরব হয়েছেন।
এমনকি সম্প্রতি বিধানসভায় হাতাহাতি এবং গত কয়েকদিন আগে বিজেপি বিধায়ক এবং সাংসদের উপর হামলার প্রসঙ্গটিও জায়গা পেতে পারে এই বৈঠকে। এমনটাই মনে করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে সেই বৈঠক বাতিল হয়ে যাওয়াতে কিছুটা হলেও নিরাশ বিজেপি সাংসদরা। তবে তাঁরা মনে করছেন খুব শিঘ্রই হয়তো ফের সময় তাঁদের দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।












Click it and Unblock the Notifications