বিজেপির বঙ্গ নেতাদের ৩ তত্ত্ব কথায় রাজনীতির পাঠ দিলেন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত
মাইক্রোফোন ধরলেই যে উত্তর দিতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। সব বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোনও দরকারই নেই। অরুণ জেটলির কথায় তুলে ধরে টুইট করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।
মাইক্রোফোন ধরলেই যে উত্তর দিতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। সব বিষয়ে মতামত দেওয়ার কোনও দরকারই নেই। অরুণ জেটলির কথায় তুলে ধরে টুইট করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি এই কথায় কাকে ইঙ্গিত করলেন, তা উল্লেখ করেননি। তবে বুঝতে অসুবিধা হয়নি রাজনৈতিক মহলের।

বুধবার বিজেপি রাজ্যসভার সাসংদ টুইটে লেখেন, প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমার প্রাক্তন বন্ধু অরুণ জেটলির কাছ থেকে আমি অনেক রাজনৈতিক পাঠ শিখেছি। তার মধ্যে আমার মাথায় সর্বদাই কিছু না কিছু ঘুরপাক খায়। প্রথম পরামর্শ, সাংবাদিক মুখের সামনে মাইক্রোফোন ধরলেই উত্তর দিতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।
দ্বিতীয় কখনও কখনও নিজের মতামত প্রকাশ করতে নেই। সেটাজানা খুব দরকার। কোনও কোনও সময় আসে, যখন অনেক কিছুই এড়িয়ে যেতে হয়। জবাবের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। সেটা বুঝতে হবে। আর তৃতীয় হল, প্রতিটি বিষয়ে নিজের মতামত জানাতেই হবে এমন কোনও কথা নেই। কোনও কোন বিষয় উপেক্ষা করে যেতে হয়।
I learnt many lessons in politics from my friend Arun Jaitley. A few come to mind:
— Swapan Dasgupta (@swapan55) June 22, 2021
1) If a reporter thrusts a microphone in your face, it isn’t obligatory to answer. 2) Wisdom lies in knowing when to keep your views private. 3) It isn’t necessary to have a view on every subject.
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, স্বপন দাশগুপ্তের এই টুইট বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিশানা করেই। সম্প্রতি রাজ্যে ঘটে চলা ছোটখাটো অনেক বিষয়েই মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। পৃথক রাজ্যের দাবি থেকে শুরু করে নুসরত জাহান ইস্যু, কিংবা ভুয়ো ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প। তা নিয়েই বঙ্গ বিজেপি নেতাদের পাঠা দিতে চেয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত।
সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক। এবার স্বপন দাশগুপ্ত বাংলার ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন। বিজেপিতে তাঁকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলেন। ভোটে হারার পর তাঁকে ফের রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে ফিরিয়ে নেওয়াও দিলীপ ঘোষ মানতে পারেননি। প্রতিবাদ গিয়েছিল স্বপন-বিরোধী গোষ্ঠীর সদস্যদের কাছ থেকে।
স্বপন দাশগুপ্তের নিশানায় যে তিনিই তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি দিলীপ ঘোষের। দিলীপ ঘোষ তাই পাল্টা বলেন, এখন আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর সময়, তা না করে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতি করার সময়. নয় এটা। ঠান্ডা ঘরে বসে ওসব করা যায়। স্বপন দাশগুপ্তের টুইটের পর শুরু হয়ে গেল বিজেপিতে ঠান্ডা লড়াই।












Click it and Unblock the Notifications