'পাপের ভাগ কেউ নেবে না, বায়রন গেছে, কংগ্রেসের সাইরেন বেজে গেছে', কটাক্ষ সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ
হঠাৎ করে সাগরদিঘির সমীকরণ বদলে গিয়েছে। বায়রন বিশ্বাসের তৃণমূলে যোগদান শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। রাজ্যে দলের সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই নিয়ে তীব্র নিশানা করেছেন তিনি বলেছেন, 'পাপের ভাগ কেউ নেবে না'।
গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধযায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন সাগরদিঘির কংগ্রেস বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। গত কয়েকদিন ধরেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা চলছিন। বায়রন বিশ্বাসকে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বায়রন বিশ্বাস। বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।

তার কয়েকদিনের মধ্যেই সকলকে চমকে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বায়রন বিশ্বাস। গতকালের এই ঘটনা সাগরদিঘির সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চরিত্রই বদলে গিয়েছে। মঙ্গলবার দলীয় কাজে কোচবিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে নেতা কর্মীদের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
গোশালা মোড়ে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন," পাপের ভাগ কেউ নেবে না, পার্থ দাকে একাই নিতে হবে। বায়রন চলে যাওয়ায় আমাদের কিছু হবে না। বাইরন চলে গেছে, তার মানে কংগ্রেসের সাইরেন বেজে গেছে। মুর্শিদাবাদে অধীরের একটা জায়গা আছে। তবে কংগ্রেস বা সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। যদি তৃণমূলকে কেউ হারাতে পারে সেটা বিজেপি ।"
বিজেপি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান চলছে। এবিষয়ে তিনি বলেন," সামান্য ক'জন হয়তো যোগদান করেছে। অনেকেই বিজেপিতে যোগদান করার জন্য অপেক্ষায় আছেন।আমরা দেখছি যোগদান করাবো কি না।" এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষও।

তিনি অভিযোগ করেছেন,' ব্যবসায়ীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে যেতে পারবে না, তাই বায়রন তৃণমূলে। তৃণমূলের না যোগ দিলে ওর ফ্যাক্টরি ব্যবসা সব বন্ধ হয়ে যাবে। এর আগে আমাদের অনেক বিধায়ক ঐরকম চলে গিয়েছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করে কে ব্যবসা করতে পারবে?'
অর্জুন সিংয়ের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেছেন, 'এর আগে অর্জুন সিং এর মত দাপুটে নেতা, তার ব্যবসা চটকারখানা সব বন্ধ করে দিচ্ছিল। এই দম একমাত্র বিজেপির আছে। সিপিএম কংগ্রেস আবার আমরা ছোট পরিবার সুখী পরিবার হয়ে গেল, আমাদের কোন শাখা নেই। আসলে সিপিআইএম কংগ্রেসকে কেউ ভোট দেয়নি, ভোট দিয়েছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সমাজ, যারা বারবার প্রতারিত হয়েছিল। তারা একটা শিক্ষা দিয়েছিল তৃণমূলকে।'












Click it and Unblock the Notifications