ডিসেম্বরেই পড়তে পারে সরকার, গ্রেফতার হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীও! বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার
ডিসেম্বরেই পড়তে পারে সরকার, গ্রেফতার হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীও! বিস্ফোরক বিজেপি সাংসদ
দুর্নীতি ইস্যুতে ফের একবার তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন সুকান্ত মজুমদার। শুধু তাই নয়, ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকার পড়ে যাবে বলেও পূর্বাভাস তাঁর। আর এহেন ভবিষ্যবানী ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। বলে রাখা প্রয়োজন, ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকার পড়ে যাওয়া নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। এবার সেই একই পূর্বাভাস বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথাতেও। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ তৃণমূল।

ঠিক কি বলেছেন সুকান্ত মজুমদার?
দুর্নীতি ইস্যুতে কথা বলতে গিয়েই বিস্ফোরক দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। দুর্নীতিতে একের পর এক শাসকদলের নেতা গ্রেফতার হয়েছে। পুজোতে বেশির ভাগ নেতাই জেলে কাটাচ্ছেন। এমনকি দুর্নীতি ইস্যুতে খোদ মুখ্যমন্ত্রীও জেলে যেতে পারে বলে কার্যত বিস্ফোরক মন্তব্য সুকান্ত মজুমদারের। শুধু তাই নয়, তাঁর প্রশ্ন, তৃণমূলের অধিকাংশ মন্ত্রীই যদি জেলে যান, তাহলে কীভাবে সরকার চলবে? আর এরপরেই সরকারের পড়ে যাওয়ার মতো তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য বিজেপি নেতার। স্পষ্ট বার্তা, ডিসেম্বরেই পড়তে পারে সরকার।'

৪১ জন বিধায়কে যোগাযোগে?
একদিকে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পড়ে যাওয়ার কথা বলছেন অন্যদিকে ৪১ জন বিধায়কে যোগ থাকা নিয়েও বিস্ফোরক বিজেপি নেতা। সুকান্ত বলেন, ৪১ জন বিধায়ক সরাসরি কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, এই প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীর দাবি, তাঁর সঙ্গে অন্তত সরাসরি ২১ জন বিধায়ক যোগাযোগে রয়েছে। তবে পচা আলু নয়, যারা সত্যিই সৎ এমন বিধায়কদেরই বিজেপিতে নেওয়া হবে বলে বার্তা মিঠুন এবং সুকান্ত মজুমদারের। আর এহেন দাবি ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

মাথা ঘামাতে নারাজ শাসকদল
যদিও বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ শাসকদল তৃণমূল। নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল বিধায়কের এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে যাবে! অন্যদিকে সরকার পড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, হাস্যকর দাবি করা হচ্ছে। এমনকি একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বিজেপি নেতারা করছেন বলেও দাবি তৃণমূল নেতার। তাঁর মতে, বিজেপি যোগদান মেলা করেছিল। চার্টার্ড ফ্লাইটে যারা গেছিল তাঁরা এখন অটো ধরে ফিরে আসছেন। ফলে বিষয়টি হাস্যকর বলে কটাক্ষ কুণালের। তবে সরকার পড়ে যাওয়া নিয়ে সুকান্তের দাবি নিয়ে কুণালের জবাব, এদের বাংলার মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে এই সব বলে ফের একবার বাংলার মানুষকে অসম্মান করছে বলেও তোপ রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদের।












Click it and Unblock the Notifications