বঙ্গবিজেপির অন্দরে নদিয়ায় বড় রদবদল! নামী সাংসদের একাধিক ঘনিষ্ঠের ডানা ছাঁটা ঘিরে জল্পনা
বঙ্গবিজেপির অন্দরে নদিয়ায় বড় রদবদল! নামী সংসদের একাধিক ঘনিষ্ঠের ডানা ছাঁটা ঘিরে জল্পনা
নদিয়ায় ভোটের আগে বিজেপির অন্দরে বিভিন্ন পদে রদবদলের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। আর সেই খবরের সূত্রেই স্পষ্ট হচ্ছে যে সেখানে দলীয় কোন্দল, তোপ আর পাল্টা তোপকে মাথায় রেখে বিজেপি সাংসদ জনগন্নাথ সরকারের ডানা ছাঁটা হচ্ছে! অন্তত এমনই তথ্য উঠে আসছে এক নামী সংবাদ মাধ্যমের খবরে।

বিজেপিতে রদবদল নদিয়ায়
ভোটের আগে বিজেপির অন্দরে হরিণঘাটা,কল্যাণী কেন্দ্র জুড়ে গিয়েছে বনগাঁতে সাংগঠনিক জেলায়। এদিকে, বিজেপি নদিয়ার দক্ষিণে দলের সাংগঠনিক পদে রদবদলের সম্ভাবনা আগেই দেখা যায়। আর সেই রদবদলে দেখা গেল রাণাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের একাধিক ঘনিষ্ঠের নাম রয়েছে। যাঁদের অনেকেরই পদ বাদ পড়া থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া খবরে উঠে আসে।

নদিয়ার দক্ষিণে বিজেপির কোন্দল!
বহুদিন ধরেই নদিয়া দক্ষিণে বিজেপির কোন্দন ছিলই। এদিকে, জগন্নাথ সরকার সাংসদ হওয়ার পর নদিয়ার দক্ষিণে জেলা সভাপতি করা হয় জগন্নাথ বিরোধী মানবেন্দ্র রায়কে। তবে ঘটনার ৫ মাসের মধ্যে সেই চেয়ারে পরিবর্তন আসে। সেখানে ফের জগন্নাথ ঘনিষ্ঠ অশোক চক্রবর্তীকে বসানো হয়। এদিকে অশোক চক্রবর্তীর সঙ্গেও জগন্নাথ সরকারের সম্পর্ক সেভাবে আর ভালো নেই বলে খবর। আর এই জায়গা থেকেই নদিয়ার দক্ষিণ বিজেপির মাথাব্যথার কারণ হচ্ছিল।

জগন্নাথের প্রভাব ও নদিয়া
এদিতে, ২০১৯ সাল থেকেই বিজেপি নেতৃত্ব নদিয়ায় কিছু এলাকা থেকে অস্বস্তিকর খবর পাচ্ছিল। জেলারয় সংগঠনে গোষ্ঠীর উদ্রেক হয়। আর ততদিনে জগন্নাথ সরকারের প্রভাব জেলায় বাড়ে বলে খবর। জেলার বিজেপিতে বড় পদে থাকা ও সাংসদ হিসাবে থাকার ফে জগন্নাথ সরকারের প্রভাব মণ্ডল স্তরেও ছিল। এরপর জগন্নাথ ঘনিষ্ঠ ৩ মণ্ডল সভাপতিকে পদ থেকে সরায় বিজেপি। ক্ষোভ বাড়ে দলের একাংশে। এরপরই জেলা কমিটিতে রদবদল।

জেলা কমিটির রদবদল
পঙ্কজ বসু যেমন জেলা কমিটিতেই এখানে জায়গা পাননি ,তেমনই সাংসদ জগন্নাথ ঘনিষ্ঠ মনোজ বিনকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হল। পঙ্গক বসু এক আগে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন বলে খবর। এদিকে, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা প্রদীপ সরকারকে জেলার সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়। সম্পাদক মণ্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসা স্বপন ঘোষ থেকে শান্তিপুরের নির্মল বিশ্বাস। তবে সহ সভাপতির পদ জগন্নাথ ঘনিষ্ঠই পেয়েছেন।

'সবাই বিজেপির লোক'
এদিকে, জগন্নাথ সরকারের দাবি, কারোর গোষ্ঠীর লোক বলে বিজেপিতে কিছু নেই। সবাই বিজেপির লোক। অন্যদিকে, অশোক চক্রবর্তীর দাবি, দল যাকে যেখানে প্রয়োজন মনে করেছে , সেখানে রেখেছে। এটি নিয়ে কিছু খোঁজা নিরর্থক বিষয়।












Click it and Unblock the Notifications