বাবুল বেইমানি করতে গিয়ে অজুহাত খুঁজছেন! মোদী নিশানা নিয়ে পাল্টা বিস্ফোরক অর্জুন সিং
বাবুল বেইমানি করতে গিয়ে অজুহাত খুঁজছেন! মোদী নিশানা নিয়ে পাল্টা বিস্ফোরক অর্জুন সিং
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে (Babul Supriyo) সরাসরি বেইমান বলে আক্রমণ করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। এদিন বাবুল বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের ওপরে বিশ্বাস রাখেন না। এদিন তারই জবাব দিয়েছেন অর্জুন সিং।

মোদীকে নিশানা বাবুলের
দিন কয়েক আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েই বাবুল বলেছিলেন, উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লিখিয়েছেন। তবে স্বীকার করে নিয়েছিলেন, সাতবছর মন্ত্রী থাকার পরে তা চলে গেলে খারাপই লাগে। এদিন তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, সাতবছরে তাঁর মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদী বাঙালিদের ওপরে বিশ্বাস করেন না। কেননা সাতবছরে বাংলা থেকে কোনও ক্যাবিনেট মন্ত্রী কেন, পূর্ণমন্ত্রী করা হয়নি। এব্যাপারে তিনি পূর্ব বর্ধমানের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়ার নাম তুলেছেন। বলেছেন, এমন একজন নেতা, যিনি সিনিয়র, তাঁকেও পূর্ণমন্ত্রী করা হয়নি।

বাবুলকে বেইমান বলে আক্রমণ
এব্যাপারে এদিন প্রশ্ন করা হলে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ বলেন, যাঁরা বেইমান থাকেন, তাঁরা বেইমানি করতে নানা অজুহাত খুঁজে বেরান। তার মধ্যে একজন হলেন বাবুল সুপ্রিয়। অর্জুন বলেছেন, বাবুল যেদিন থেকে রাজনীতিতে, তারপর দিন থেকেই মন্ত্রী। সাতবছর পরে মন্ত্রিত্ব যাওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর মতো বিশ্ববিখ্যাত মানুষকে নিয়ে এইভাবে কথা বলেন, তাঁর জন্য বেইমান ছাড়া আর কিছু বলার জায়গা নেই। তিনি আরও বলেন, এটা কোনও ভদ্র মানুষ বলতে পারেন না।

মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরে অনুভব
অর্জুন সিং কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেছেন, মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরে বাবুল সুপ্রিয়র অনুভব হয়েছে, তার আগে হয়নি। কেননা সেই সময় তাঁর (বাবুল) অধীনে ১৭ জন লোক কাজ করত। তখন ভাল ছিলেন মোদী। এখন কেউ নেই। তাই এখন খারাপ হয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজ্যে কাজ বলতে তোলাবাজি, সিন্ডিকেট
অর্জুন সিং বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা কতটা কাজ করেন আর যাঁরা যুক্ত হচ্ছেন, তাঁরা কতটা কাজ করবেন, তা বাংলার মানুষ জানে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কাজ করার জায়গা কোথায়। কাজ করার জন্য তোলাবাজি, সিন্ডিকেট-এর বাইরে কাজটা কী আছে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা শেষ, ব্যবসায়ীও শেষ। শিল্প সম্মেলনের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়, বাইরে থেকে কিছু লোককে আনা হয়। আর মৌ সই হয়। এর বাইরে আর কিছু নেই।












Click it and Unblock the Notifications