মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যেতেই বিধানসভায় হট্টগোল বিজেপি বিধায়কদের, সার নিয়ে তরজা তুঙ্গে

মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যেতেই বিধানসভায় হট্টগোল বিজেপি বিধায়কদের, সার নিয়ে তরজা তুঙ্গে

বিধানসভা ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বুধবার। বিধানসভায় হট্টগোল করেন বিজেপি বিধায়করা। এদিন বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যেতেই হই হট্টগোল শুরু হয়।মুখ্যমন্ত্রী বেরনোর পর সারের কালোবাজারি ইস্যুতে বিধানসভায় আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রস্তাব খারিজ করে দেন অধ্যক্ষ। তারপরই শুরু হয় হট্টগোল।

মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যেতেই বিধানসভায় হট্টগোল বিজেপি বিধায়কদের, সার নিয়ে তরজা তুঙ্গে

বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন সার আসলে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে। সার নিয়ে একাধিকবার চিঠি লিখেছি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে লিখেছি, প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছি। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। চুক্তির পরেও আমরা পেয়েছি মাত্র এক তৃতীয়াংশ। ফলে চাষিদের সমস্যা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি ফের কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা বলেন।

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের বলেন, বিরোধী দলের অনেকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁরা যেন বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন কেন্দ্রের মন্ত্রীদের সঙ্গে। এ ব্যাপারে আমরা তাঁদের সহযোগিতা প্রার্থীনা করছি। ১০০ দিনের কাজের টাকা, সারের জোগান নিয়ে তিনি কথা বলার আর্জি জানান। কেন্দ্রীয় সরকার সঠিক সময়ে তা দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, এই বিষয়ে বিজেপি বিধায়কদের অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া দরকার। এরপর মুখ্যমন্ত্রী বেরিযে গেলে আওয়াজ তুলতে শুরু করে বিজেপি বিধাযকরা। তাঁদের দাবি, সারের কালোবাজারি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সারের বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে অভিযোগ তুলে গেলেন, তা মানতে নারাজ বিজেপি বিধায়করা।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তো আমার দিকে চেয়ে চেয়েই সাহায্য কররা কথা বলছিলেন। কিন্তু তার জবাবটা তো দিতে দিলেন না অধ্যক্ষ। আমরা তো চাই, মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের সরকার সঠিকভাবে কাজ করুন। তাহলে কেউ কিছু বলবে না, বাধার সৃষ্টি করবে না। অনৈতিকভাবে কাজ করছেন বলেই তো এত সমস্যা।

তিনি বলেন, আমি যে সমস্ত যুক্তি খাঁড়া করেছি, তা ভাঙতে পরাবে না কেউ। অকাট্য যুক্তি দেখিয়েই বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবাদ করেছি। সেই যুক্তি ভাঙার ক্ষমতা কারও নেই। ১০০ দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুরি ধরে ফেলেছি বলেই এত গায়ের জ্বালা হচ্ছে। নিয়ম নেনে কাজ করুন, তাহলে কোনও সমস্যাই হবে না।

উল্লেখ্য, রাজ্যের ১০০ দিনের কাজের টাকা থেকে শুরু করে আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বরাদ্দের টাকা মিলছে না। ফলে একশো দিনের কাজের শ্রমিকরা টাকা পাচ্ছেন না। আবাস যোজনার কাজ হচ্ছে না। এমন নানা প্রকল্পের টাকা আটকে রাজ্যকে ভাতে মারার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গর্জে ওঠেন বিজেপি বিধায়করা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+