লাভপুরে ফিরলেন বিজেপি নেতার মেয়ে! অশান্তির অভিযোগে গ্রেফতার ১১
তিনদিন পর বিজেপি নেতার কন্যা অপহরণের কিনারা করল পুলিশ। রবিবার সকালে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কীভাবে এই উদ্ধার কার্য সম্পন্ন হল তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে রয়েছে ধোঁয়াশা।
তিনদিন পর বিজেপি নেতার কন্যা অপহরণের কিনারা করল পুলিশ। রবিবার সকালে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কীভাবে এই উদ্ধার কার্য সম্পন্ন
হল তা নিয়ে সাধারণের মধ্যে রয়েছে ধোঁয়াশা। এদিকে অপহরণের পর থেকে অশান্তি এবং পাল্টা অভিযোগের ভিত্তিকে এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে স্থানীয় বিজেপি এবং তৃণমূল নেতারা রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধেয় মুখ ঢাকা তিন দুষ্কৃতী গিয়েছিল বিজেপির জেলা কমিটি নেতার বাড়িতে। তাঁকে না পেয়ে নেতা সুপ্রভাত বটব্যালের মেয়ে এলাকার দুটি স্কুলের বিত্তিমূলক শিক্ষিকা প্রথমা বটব্যালকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপি নেতার মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে বীরভূমের লাভপুর। শুক্রবার প্রায় সারা দিন-রাত রাস্তায় টায়ার ও গাছের ডালপালা দিয়ে আগুন জ্বালানো হয়। শনিবার রাস্তায় ব্যাপক পুলিশ নামানো হয়। পুলিশের সঙ্গে পাথর ও লাঠি নিয়ে খণ্ডযুদ্ধও হয় স্থানীয়দের একাংশের।
শনিবার পর্যন্ত জনগণের ক্ষোভের পরিধি বাড়তে থাকে। লাভপুরকে কেন্দ্র করে প্রায় ১০ কিমি এলাকা জুড়ে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। শনিবার
এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। শনিবার বীরভূম পুলিশ একটি বিবৃতি জারি করেছিল। তাতে প্রথমা বটব্যালকে খুঁজে দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপি নেতা সুপ্রভাত বটব্যালের মেয়ে প্রথমাকে মালদহ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে বীরভূম জেলা পুলিশ। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই যে এই ঘটনার পিছনে রয়েছে, সেই অভিযোগের তদন্তও করা হচ্ছে। অপহরণের পিছনে অন্য আর কী কী কারণ থাকতে পারে, তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপ্রভাত বটব্যাল সিপিএম ছেড়ে বিজেপি যোগ দিয়েছিলেন। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সুপ্রভাত বটব্যাল জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে। করা হয়েছে হামলার ছক। নিজের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ করেছেন তিনি।
যদিও জেলা তৃণমূলের তরফে বিজেপি নেতার মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications