বিজেপিতে বিরাট ভাঙন-জল্পনা এবার মতুয়া-গড়ে! সাংগঠনিক বৈঠকে গরহাজিরায় সিঁদুরে মেঘ
বিজেপিতে ভাঙন রোখার জন্য বৈঠক ডেকেছিল নেতৃত্ব। সেই বৈঠকে বহু নেতা-নেত্রীর গরহাজিরায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। এক পক্ষের উপস্থিতির কারণে আরেক পক্ষের গরহাজিরা তো আছেই, আছে মুকুল-ফ্যাক্টরও।
বিজেপিতে ভাঙন রোখার জন্য বৈঠক ডেকেছিল নেতৃত্ব। সেই বৈঠকে বহু নেতা-নেত্রীর গরহাজিরায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। এক পক্ষের উপস্থিতির কারণে আরেক পক্ষের গরহাজিরা তো আছেই, আছে মুকুল-ফ্যাক্টরও। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিজেপি বিধায়কের তৃণমূলে যোগদানের পরই ভাঙন সম্ভাবনা দ্রুত বাড়ছে।

বিজেপির বৈঠক ভাঙাহাটে রূপান্তরিত
মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ দাস বিজেপি বিধায়ক হিসেবে বাগদা থেকে এবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পর তিনিও ফিরে যান পুরনো ঘরে। তাঁর তৃণমূলে যোগদানের পর থেকেই বনগাঁ বিজেপিতে ভাঙন সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়েছে। বিশ্বজিৎ দাস সেই সম্ভাবনা আরও উসকে দিয়েছেন বিজেপির বৈঠক ভাঙাহাটে রূপান্তরিত হওয়ায়।

বিজেপিতে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে, ভাঙন সমস্যা প্রকট
বাংলাজুড়েই বিজেপিতে গোষ্ঠীকোন্দল চরম আকার নিয়েছে। তার জেরে বিজেপি ভাঙন সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে। বনগাঁ বিজেপির সাংগঠনিক জেলায় সেই ছবি স্পষ্ট হল সম্প্রতি। বনগাঁ বিজেপিতে চরম আকার নিয়েছে কোন্দল। বিজেপির সাংসদ বনাম বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতির বিবাদ এখানে অনেকদিনের। তারপর বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস দল ছাড়ায় তা চরম আকার নিয়েছে।

দলে ভাঙন রোখার জন্য বৈঠকে গরহাজিরা
মুকুল রায়ের পথ ধরে বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। তারপরই দলে ভাঙন রোখার জন্য একটি বৈঠক ডাকে বিজেপি। রাজ্য নেতাদের উপস্থিতিতে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে উপস্থিত থাকতে বলা হয় বৈঠকে। কিন্তু সাংগঠনিক জেলার বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা-নেত্রীরা গরহাজির ছিলেন।

বিজেপিতে শেষের শুরু, বলছেন দলত্যাগী বিধায়করা
বিজেপি ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ছিলেন না খোদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতিই। এমনকী ছিলেন না মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া দুলাল বর-সহ অনেকেই। আর তা দেখেই সম্প্রতি তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিশ্বজিৎ দাস তির্যক মন্তব্যে বলেন, বিজেপিতে শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। আরও অনেকে তৃণমূলে আসবেন। ভাঙন রোখার ক্ষমতা নেই বিজেপির।

মুকুল রায়ের ঘরওয়াপসির পর
বিধানসভা ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপির চারজন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। প্রথম জন মুকুল রায়। তিনি ১১ জুন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরই ভাঙন জল্পনা সাংঘাতিক রূপ নিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল দলবদলুদের ফেরাতে সময় নিয়েছিল। তাই মুকুল রায়ের প্রায় আড়াই মাস পর বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ যোগদান করেন তৃণমূলে। তারপর দিনই বিশ্বজিৎ দাসের ঘরওয়াপসি হয়।

তৃণমূলে যোগদানের লাইনে রয়েছেন আরও বিজেপি বিধায়ক
আর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া নেতাদের মধ্যে শেষতম সংযোজন কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। এই চারজন বিয়োগে বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি এক ধাক্কায় নেমে আসে ৭৭ থেকে ৭১-এ। আগেই বিজেপির দুই বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে সাংসদ পদকে বেছে নিয়েছিলেন। এখন আবার আরও জনা ২৫-এক বিধায়ক তৃণমূলে যোগদানের লাইনে রয়েছেন বলে দাবি মুকুল রায়ের।

বিজেপি ছেড়ে চারজনের তৃণমূলে যোগদানের পর
বিজেপি ছেড়ে চারজনের তৃণমূলে যোগদানের পর আরও এক বিধায়ক রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, বিজেপিতে কাজ করার কোনও জায়গা নেই। বিজেপি যে পতে এগোচ্ছে তাতে এই দলে বিধায়ক থাকবেই না। ১০ জনে নেমে আসবে বিধায়ক সংখ্যা। সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর বিরুদ্ধে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications