মমতাকে নাম না করে নিশানা শুভেন্দুর! নবান্নই করোনা ঢেউ তৈরি করেছে, অভিযোগ বিরোধী দলনেতার
পশ্চিমবঙ্গে করোনা (coronavirus) সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে নবান্নকে (nabanna) নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে নবান্নকেই সরাসরি দায়ী ক
পশ্চিমবঙ্গে করোনা (coronavirus) সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে নবান্নকে (nabanna) নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে নবান্নকেই সরাসরি দায়ী করেছেন। পাশাপাশি সরকারের 'এগিয়ে বাংলা' (Egiye Bangla) স্লোগানকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

শুভেন্দুর নিশানায় নবান্ন
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নবান্নকে দায়ী করেছেন। সঙ্গে তিনি একের পর এক দিনের কথা তুলে ধরেছেন। একদিকে যেমন তিনি ২৫ ডিসেম্বরের কথা বলেছেন, ঠিক তেমনই নতুন বছর উদযাপনের কথাও বলেছেন। পাশাপাশি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনে কথাও তুলে ধরেছেন টুইটে।

এগিয়ে বাংলা-কটাক্ষ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অন্যতম স্লোগান হল এগিয়ে বাংলা। সেই স্লোগান তুলে ধরে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ এবং জনস্বাস্থ্য অব্যবস্থাপনায় সর্বদা এগিয়ে বাংলা। যার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। সাধারণ মানুষ বিধিনিষেধ দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতে বাধ্য হবেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কলকাতার পজিটিভিটি রেট বাড়ছে
এই মুহূর্তে কলকাতার পজিটিভিটি রেট ২৩.৪২ শতাংশ। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সেই রিপোর্টও তুলে ধরেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দেখা যাচ্ছে কলকাতার থেকে পজিটিভিটি রেট বেশি একমাত্র লাহুল স্ফীতিতে, সেখানে ২৫ শতাংশ। এই সময় মুম্বইতে ৭.৬২ শতাংশ, আহমেদাবাদে৩.৪৯ শতাংশ, চেন্নাইয়ে ২.৫১ শতাংশ, বেঙ্গালুরুতে ১.২৫ শতাংশ এবং নয়াদিল্লিতে ১.৮৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত শুধু কলকাতাতেই নয়, রাজ্যে পরপর চার দিনে করোনা সংক্রমণ ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিরোধীরা দায়ী করছেন সরকারি নির্দেশিকাকেই
রাজ্যের বিরোধীদের তরফে ১৫ ডিসেম্বর জারি করা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকাকেই বর্তমান করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হচ্ছে। যেখানে ওই নির্দেশিকায় মুখ্যসচিব নির্দেশিকা জারি করে বলেছিলেন, অন্য বিধিনিষেধ বলবত থাকলেও, ক্রিসমাস এবং নতুন বছর উদযাপনের জন্য ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারির মধ্যে রাত ১১ টা থেকে ভোর ৫ টার মধ্যেকার নজরদারি তুলে নেওয়া হচ্ছে।

হিডকোর কর্তা মুছেছেন পোস্ট
২৫ ডিসেম্বরের পাশাপাশি ১ জানুয়ারি সাধারণ মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন বিনোদন এবং পর্যটনের স্থানগুলিতে। যেখানে নিয়মবিধি মানার কোনওরকমের কড়াকড়ি কিছু ছিল না। ১ জানুয়ারি হিডকোর কর্তা দেবাশিস সেন ফেসবুক পোস্ট করে প্রথমে জানান ইকোপার্কে (দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে হিডকো) ৭৫,৯৭৫ জন এসেছিলেন। যদিও তিনি এই পোস্ট পরে মুছে দেন। যা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।












Click it and Unblock the Notifications