'এর পরের বিস্ফোরণ হবে কালীঘাটে', নৈহাটি কাণ্ড কটাক্ষ সায়ন্তনের
'এর পরের বিস্ফোরণ হবে কালীঘাটে', নৈহাটি কাণ্ড কটাক্ষ সায়ন্তনের
রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে বাঁচাতে নিজের পুলিশ বাহিনীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার। তিনি এইভাবে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে বাঁচাতে পারবেন না। আমার তো মনে হয় যে এর পরের বিস্ফোরণ হবে কালীঘাটে। সেই এলাকা বিস্ফোরকের স্তুপের ওপর আছে। সেখানে বিস্ফোরণ হলে তো দিদিমনি নারকেল গাছের ওপর উঠে বসবেন। তখন তিনি বুঝতে পারবেন যে রাজ্যটা জেহাদিদের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।

শুক্রবার মেদিনীপুরে এসে নৈহাটি বিস্কোরণ কান্ড নিয়ে এই ভাবে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাজেয়াপ্ত করা বাজি ও বিস্কোরক নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে যে বিস্ফোরণ হয় তাতে নৈহাটির পাশাপাশি গঙ্গার অন্য দিকে চুঁচুড়া এলাকাও কেঁপে ওঠে। পুলিশ জানায় যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন যে যারা তা নিষ্ক্রিয় করতে যায় তারা ঠিকমতো কাজ করেননি।
এই দিকে শুক্রবার নৈহাটির পুরপ্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় নৈহাটি এলাকায় অন্তত ৬৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সব বাড়ি ঠিক করে দেবে পুরসভা।
এই দিন মেদিনীপুরে নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে একটি মিছিল করে সভা করে বিজেপির নেতা সায়ন্তন বসু বলেন যে যারা অনুপ্রবেশকারী, যারা অন্যায্য ভাবে এই দেশে বাস করছেন। তাদের তাড়ানো হবেই। আর মুখ্যমন্ত্রী ও তার ভাইরা তা দেখবেন।
একইসঙ্গে যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আজাদির নামে শ্লোগান দিয়েছে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সায়ন্তন বলেন যে যাদবপুর, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় সহ মাত্র কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই রকম নাচানাচি হয়েছে। মিডিয়া কেন তাদের হাইলাইটস করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই বিজেপি নেতা।
এদিন মেদিনীপুর শহরে মিছিল বের করে বিজেপি। সেখানে সায়ন্তন বসু ছাড়াও ছিলেন রিমঝিম মিত্র, জেলা বিজেপি সভাপতি শমিত দাস, রাজ্য নেতা তুষার মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।












Click it and Unblock the Notifications