মমতার সরকারের মেয়াদ বেঁধে দিল বিজেপি! বাংলার ভবিষ্যৎ বর্ণনা করলেন রাহুল
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের মেয়াদ বেঁধে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে ২০২০-তেই শেষ মমতা জমানা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের মেয়াদ বেঁধে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে ২০২০-তেই শেষ মমতা জমানা। আমরা আগে যে দিন নির্ধারণ করেছিলাম অর্থাৎ ২০২০-তেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের অবসান ঘটবে। আমরা রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চাইতে বাধ্য হবে।

নতুন বছরেই বিদায় নিশ্চিত মমতার
রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাহুল সিনহা বলেন, নতুন বছরেই বিদায় নিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরিস্থিতি যা, তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের দিন আসন্ন। আমরা চাই না নির্বাচিত সরকার ফেলতে। কিন্তু রাজ্যের অরাজক পরিস্থিতি আমাদের সেই দাবি তুলতে।

রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে বাধ্য
উল্লেখ্য, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে জ্বলছে রাজ্য। হিংসার আগুনে ট্রেন পুড়ছে, স্টেশনে অগ্নিসংযোগ ঘটানো হচ্ছে। ভাঙচুর, অবরোধে উত্তাল জেলার পর জেলা। রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ হিংসা প্রশমনে। পরিস্থিতি যা এভাবে আর কিছুদিন চললেই রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে বাধ্য হবে কেন্দ্র

মমতার বার্তা সত্ত্বেও
তবে আইন হাতে না তুলে না নিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানানোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি অভয় দিয়েছেন রাজ্যে নারিকত্ব আইন লাগু হবে না। এনআরসি হবে না। বিজেপির চক্রান্ত আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গণ আন্দোলনের মাধ্যমে রুখব। অযথা হিংসা ছড়িয়ে বিজেপির হাত শক্ত করবেন না।

রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক
কিন্তু বিজেপি অভিযোগ করছে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যেরই ইন্ধনে। তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে হিংসা রুখতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা নেই। তিনি এখন চিন্তা করছেন কাশ্মীর নিয়ে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করছে সমস্ত কিছু ভুলিয়ে রাখার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications