ভোটের দিন মুকুলের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন শুভ্রাংশুর, কর্তব্যের সঙ্গে দায়িত্বেও অবিচল
যতই রাজনৈতিক লড়াই থাক। দিনের শেষে তাঁরা বাবা-ছেলে। তাই ভোটের দিন বারাকপুরের ভোট উত্তাপ ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠল অপত্য স্নেহই।
যতই রাজনৈতিক লড়াই থাক। দিনের শেষে তাঁরা বাবা-ছেলে। তাই ভোটের দিন বারাকপুরের ভোট উত্তাপ ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠল অপত্য স্নেহই। ছেলের প্রতি বাবার নিখাদ ভালোবাসা থেকেই শুভ্রাংশুকে পরামর্শ দিয়ে গেলেন মুকুল রায়। এবার বারাকপুরে ভোট উত্তাপ চরমে, সেই উত্তাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পরামর্শ দিলেন শুভ্রাংশুকে।

বিজেপি নেতা মুকুল রায় তৃণমূলের বিধায়ক ছেলেকে বলে গিয়েছিলেন কোনও অশান্তিতে না জড়াতে। গন্ডগোল থেকে দূরে থাকতে। বাবার পরামর্শ শুনে দক্ষ রাজনীতিকের মতেই ভোট করালেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। নিজের কেন্দ্রের বাইরে গেলেন না। আর ভোট করিয়েই বলে দিলেন এবার তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদী সবথেকে বেশি লিড পাবেন এই বীজপুর থেকেই।
মুকুল রায়ের হাত ধরেই বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের তৃণমূল সংগঠন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই মুকুল পায় এখন বিজেপিতে। এখন শুভ্রাংশুই বীজপুরে তৃণমূলের মুখ। মুকুল রায়ের পর অর্জুন সিংও চলে গিয়েছেন বিজেপিতে। শুভ্রাংশুকে নিয়েও টানাপোড়েন ছিল। এই অবস্থায় বারাকপুরের ভোটে কতটা প্রভাব জারি রাখতে পারল তার উত্তর মিলবে ২৩ মে।
মুকুল রায়ের কথা উঠতেই তিনি জানান, বাবা তাণকে ফোন করেছিল। ফোন করে বলেছেন, আজ আমি বাবা হয়ে কথা বলছি। ভোটের দিন কোনও অশান্তিতে জড়াবে না। এ কথা বলতে গিয়ে আবেগে গলা কেঁপে গেল তাঁর। সেই পিছুটান রেখেই শুভ্রাংশ কাজ করে গেলেন নিজের রাজনৈতিক আদর্শ মেনে।
বারবার শুভ্রাংশুকে নিয়ে নানা কথা হয়েছে, কিন্তু শুভ্রাংশু তাঁর আদর্শে অবিচল থেকে তৃণমূলের কর্তব্যপরায়ণ সৈনিকের মতো কাজ করে গিয়েছেন। এবার তৃণমূলের হয়ে ভোট করিয়ে তিনি সবথেকে বেশি লিড দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদীকে। তাঁর লক্ষ্য একটাই বীজপুর থেকে সবথেকে বেশি লিড দিয়ে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া। তার উত্তর পেতে অপেক্ষা সেই ২৩ মে-র।












Click it and Unblock the Notifications