বামেরা দলে দলে ‘রামে’র দলে, ভাঙছে তৃণমূলও, বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক চলছে
বড় কোনও নেতা না এলেও কর্মীরা সংখ্যা বাড়ছে এলাকায়। বাড়ছে সংগঠন। যাঁদের নিয়ে বিজেপির ভিত মজবুত করার কাজ শুরু করেছেন মুকুল রায়।
মুকুল রায়কে পঞ্চায়েতে নির্বাচনে 'নেতা' বেছে নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য বিজেপিতে ফের জোয়ার লেগেছে। পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বহরে বাড়ছে বিজেপি। বড় কোনও নেতা না এলেও কর্মীরা সংখ্যা বাড়ছে এলাকায়। বাড়ছে সংগঠন। যাঁদের নিয়ে বিজেপির ভিত মজবুত করার কাজ শুরু করেছেন মুকুল রায়।

গোটা একটা বাম-দলই মিশে গিয়েছে বিজেপিতে। জনবাদী ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক তাঁর পুরো দল নিয়ে বিজেপিতে মার্চ করেছেন। সাধারণ সম্পাদকের হাতে পতাকা তুলে দেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তারপরই সিপিএমের যুব সংগঠনেও ভাঙন ধরিয়ে দিলেন মুকুল রায়। হাওড়ার বাউড়িয়া থেকে ডিওয়াইএফআই নেতা অপূর্ব দাসের নেতৃত্বে ৩৬ জন কর্মী বিজেপিতে যোগ দিলেন।
এরই মধ্যে রবিবার পুরুলিয়া সফরে গিয়ে তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে দেন মুকুল রায়। মুকুল রায়ের হাতে ধরে দলে দলে তৃণমূলকর্মীরা যোগ দেন বিজেপিতে। বামকর্মীরাও মুকুল রায়ের সভায় এসে বিজেপির পতাকা তুলে নেন। পঞ্চায়েতের আগে জঙ্গলমহলের জেলায় এই প্রবণতায় আশার আলো দেখছে বিজেপি।
বিভিন্ন জেলাতেই তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম তথা বামফ্রন্ট ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কর্মীরা। মুকুল রায়ের কথায়, 'শুধু নেতারা সাজানো থাকছে ওইসব দলে, কর্মীরা ভিড় বাড়াচ্ছেন বিজেপিতে। পঞ্চায়েত নির্বাচনেই হাড়ে হাড়ে টের পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায় বিশেষ করে নজর দিয়েছেন বীরভূম ও পুরুলিয়া জেলাকে। সেখানে যেমন বিজেপির বহর বাড়ছে, অন্য জেলাতেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।'
এদিন বাউড়িয়া থেকে ডিওয়াইএফআই-কর্মীরা যোগদান করেন বিজেপিতে। মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে রাজ্য সম্পাদিকা দেবশ্রী চৌধুরী তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন। মুকুল রায় বলেন, 'এমন একটা দিন যাচ্ছে না তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম বা বামফ্রন্ট ছেড়ে কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে না। আগামী নির্বাচনের আগে সব দল ফাঁকা হয়ে যাবে।'












Click it and Unblock the Notifications