পুজো শেষ হতেই ভোটের বাদ্যি, দুটি আসন ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপির কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ
পুজো শেষ। বিসর্জনের বাদ্যি বেজেছে। একইসঙ্গে বাদ্যি বেজে গিয়েছে উপনির্বাচনেরও। কালীপুজোর আগেই বাংলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ অক্টোবর চারটি কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তারা মধ্যে দুটি বিজেপির জেতা আসন, দুটি তৃণমূলের।
পুজো শেষ। বিসর্জনের বাদ্যি বেজেছে। একইসঙ্গে বাদ্যি বেজে গিয়েছে উপনির্বাচনেরও। কালীপুজোর আগেই বাংলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ অক্টোবর চারটি কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তারা মধ্যে দুটি বিজেপির জেতা আসন, দুটি তৃণমূলের। এখন উৎসবের মরশুমেই কে কার কাছ থেকে কোন আসন ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবে, তা নিয়ে জোর লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে।

বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ জেতা দুটি আসন ধরে রাখা
পুজো শেষে ৩০ অক্টোবর নির্বাচন হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায়। এর মধ্যে দিনহাটা ও শান্তিপুর দুটি বিজেপির জেতা আসন। আর খড়দহ ও গোসাবা হল তৃণমূলের জেতা আসন। বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ জেতা দুটি আসন ধরে রাখা যাবে কি না। এমনিতেই বিধানসভায় তাদের শক্তিক্ষয় হয়ে চলেছে। এরপর যদি আরও দুটি আসনে তাদের হারতে হয়, তবে তা ভিন্ন বার্তা যাবে রাজ্য-রাজনীতিতে। ২০২৪-এর আগেও এই ফল অস্বস্তি বাড়াবে বিজেপির।

দিনহাটা ও শান্তিপুরে জয় এত সহজে আসবে না!
বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের একটা বড় অংশ মনে করছে, দিনহাটা ও শান্তিপুরে জয় এত সহজে আসবে না। শান্তিপুর নিয়ে একটু নিশ্চিন্ত হলেও দিনহাটা নিয়ে চরম সংশয়ে রয়েছে বিজেপি। কারণ দিনহাটায় মাত্র ৫৭ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। তিনি সাংসদ পদ বেছে নেন। ফলে বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন। সেহেতু ফের নির্বাচনের দামামা বেজেছে দিনহাটায়।

বিজেপির সবথেকে বেশি মনসংযোগ দুটি আসনে
একই কথা প্রযোজ্য শান্তিপুরের ক্ষেত্রেও। শান্তিপুরে প্রার্থী হয়েছিলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। নির্বাচনের পরেই তিনিও বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। ফলে এই কেন্দ্রেও উপনির্বাচন। তবে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রায় ১৬ হাজার ভোটে জয়ী হয়। তাই এই কেন্দ্রটি বিজেপিকে ভাবাচ্ছে কম। আর দুটি কেন্দ্র খড়দহ ও গোসাবায় তৃণমূল অনেক বেশি ব্যবধানে জিতেছিল তৃণমূল। বিজেপি তাই সবথেকে বেশি মনসংযোগ করছে দুটি আসন ধরে রাখা নিয়ে।

বিজেপির কাছে প্রেস্টিজ ফাইট শান্তিপুর ও দিনহাটা
শান্তিপুর ও দিনহাটা বিজেপির কাছে প্রেস্টিজ ফাইট হয়ে গিয়েছে। বিজেপি দিনহাটায় প্রার্থী করেছে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অশোক মণ্ডলকে। বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়া নিশীথ প্রামাণিককে বিজেপি এই কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক করেছে। এই কেন্দ্রটি জিততে সহকারী পর্যবেক্ষক করা হয়েছে আর এক সাংসদ জয়ন্তকুমার রায়কে। আর ইনচার্জ হয়েছে দীপেন প্রামাণিক। কো-ইনচার্জ করা হয়েছে ১০ জনকে, তাঁদের মধ্যে ৮ জনই বিধায়ক।

শান্তিপুরে দলের সংগঠন চিন্তায় রেখেছে বিজেপিকে
শান্তিপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছেন নিরঞ্জন বিশ্বাস। পর্যবেক্ষক করা হয়েছে সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে। শান্তিপুর নিয়ে চিন্তা কম থাকলেও সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড কিন্তু বিজেপিকে ভাবাচ্ছে। শান্তিপুরে দলের সংগঠন চিন্তায় রেখেছে বিজেপিকে। শান্তিপুর শহর বিজেপির সভাপতি দল ছেড়ে সম্প্রতি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও দলের নিচুতলাতেও সম্প্রতি ভাঙন ধরেছে। ফলে শান্তিপুর নিয়েও চিন্তায় বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications