বিজেপির সংখ্যালঘু সদস্য বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে! পুরভোটের আগে কপালে ভাঁজ নেত্রী মমতার
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন আসার পর বিজেপির সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ধস নামার আশঙ্কাই করেছিল রাজনৈতিক মহল। ইন্দোরে বিজেপি থেকে ৮০ জন সংখ্যালঘু নেতা পদত্যাগ করেছেন।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন আসার পর বিজেপির সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ধস নামার আশঙ্কাই করেছিল রাজনৈতিক মহল। ইন্দোরে বিজেপি থেকে ৮০ জন সংখ্যালঘু নেতা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু বাংলায় তাদের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিরাপদ আছে বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলি হোসেনের। তিনি বলেন, এবার সংখ্যালঘু সেলের সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য বৃদ্ধি বিজেপিতে
অর্থাৎ তাঁর দাবি অনুয়ায়ী বিজেপির সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ধস তো নামেইনি, উল্টে সংখ্যালঘু সেলের সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিন্তার বলে ব্যাখ্যা করেছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। বিজেপির ধর্মের রাজনীতি করেও যদি সংখ্যালঘু ভোট বা সংখ্যালঘু সেলকে অক্ষত রাখতে পারে, তবে তা বিজেপির বড় পাওনা হবে।

ক বছরের মধ্যে বিপুল সংখ্যায় বৃদ্ধি
আলি হোসেনের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য সংখ্যা এক বছরের মধ্যে বেড়েছে বিপুল সংখ্যায়। ২০১৮-য় ছিল মাত্র ২২ হাজার সংখ্যালঘু সদস্য। সেই সংখ্যা গোটা রাজ্যের নিরিখে এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার লক্ষে। এই পরিসংখ্যানই বলছে বিজেপির পালে হাওয়া রয়েছে। কোনও প্রভাবই পড়েনি সিএএ-র।

কপাল চিন্তার ভাঁজ বাড়বে মমতার
আর রাজনৈতিক মহলের দাবি, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির এই পরিসংখ্যান সত্য হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপাল চিন্তার ভাঁজ বাড়তে বাধ্য। বিজেপিতে সংখ্যালঘু সদস্য বাড়া মানে তৃণমূলের মাথায় হাত পড়ার জোগাড়। ভিনরাজ্যে যখন সংখ্যালঘু মোর্চা ভাঙন দেখা দিয়েছে, তখন এ রাজ্যে উলট পুরান অন্য বার্তা দিচ্ছে।

ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন সংখ্যালঘু মোর্চার
সামনেই পুরসভা নির্বাচন। তারপর ২০২১-এ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সিএএ সত্বেপকও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক অটুট থাকা মানে সরকার বিরোধী মনোভাব প্রগাঢ় হচ্ছে। যা তৃণমূলের পক্ষে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অন্তরায় হতে পারে। এদিকে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার পক্ষে দাবি করা হয়েছে, তাঁরা সিএএ নিয়ে ভ্রান্তি দূর করতে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন চালাবে।

বিজেপি সাহসী হয়ে উঠেছে আরও
আলি হোসেনের দাবি, তৃণমূল ছেড়ে অনেক তৃণমূল নেতাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিশেষ করে মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদানের পর সংখ্যালঘু মোর্চাতেও সদস্য সংখ্যা প্রভূত বৃদ্ধি পেয়েছিল। তাঁরা সবাই রয়েছেন বিজেপিতেই। কেউ বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরেননি বা অন্য দলে যোগদান করেননি। সিএএ-র পরেও এই প্রবণতা বজায় থাকায়, বিজেপি সাহসী হয়ে উঠেছে আরও।












Click it and Unblock the Notifications