মনোনয়নে সন্ত্রাসের ঠেলা, পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় জেলায় তৃণমূল ভেঙে বিজেপিতে
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জেলা জেলায় তৃণমূল ভেঙে শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি। হাওড়া ও বাঁকুড়ায় বিজেপির জনসভায় এসে প্রায় দু-হাজার কর্মী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বলে দাবি বিজেপির।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জেলা জেলায় তৃণমূল ভেঙে শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি। হাওড়া ও বাঁকুড়ায় বিজেপির জনসভায় এসে প্রায় দু-হাজার কর্মী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বলে দাবি বিজেপির। বিজেপি শিবিরের ব্যাখ্যা, মনোনয়নে ব্যাপক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে বিভিন্ন এলাকায়।

রবিবার হাওড়ার বাগনানে বিশাল পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় বিজেপির। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বাংলার পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে এই পদযাত্রায় বিপুল সাড়া পড়ে। এই পদযাত্রা শেষে একটি পথসভাও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই তৃণমূল ছেড়ে কর্মীরা দলে দলে যোগদান করেন বিজেপি শিবিরে। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।
শুধু হাওড়াতেই নয়, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে বিজেপি শক্তি বাড়াল বাঁকুড়াতেও। বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে তৃণমূল নেতা ঝন্টু মিদ্যার নেতৃত্বে দুই শতাধিক কর্মী যোগ দেন বিজেপিতে। কেন তৃণমূল ছাড়লেন ঝন্টু। পাত্রসায়রের ব্লক কমিটির তৃণমূল সদস্য দলত্যাগী ঝন্টু বলেন, পুরনো কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তৃণমূল করেও ৬৭টি কেস খেতে হয়েছে। গোষ্ঠীবাজির শিকার হয়েছি। তাই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উন্নয়নের কাজ করতে চাই, মানুষের পাশে থাকতে চাই, তাই বিজেপিতে যোগ দিলাম।
এছাড়া দলত্যাগীদের দাবি, তৃণমূল গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিতে চাইছে না। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে গায়ের জোরে জিততে চাইছে, তাই দলবদল করে প্রতিবাদ জানালাম। সিপিএম যে পথে ক্ষমতা কায়েম করত, যার বিরুদ্ধে আমরা পুরনো কর্মীরা লড়াই করেছিলাম, এখন তৃণমূল সেই একই কাজ করছে। তাই তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দিতে চাই আমরা।












Click it and Unblock the Notifications