বিজেপি একুশের ভোটের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে! সাংগঠনিক বৈঠকে বুথ সংগঠনে হতাশা
বিজেপি একুশের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে! সাংগঠনিক বৈঠকে বুথ সংগঠন নিয়ে ভাবনা
২০২১-এর বিধানসভা ভোট আর বেশি বাকি নেই, সাকুল্যে ৯ মাস। কিন্তু এখনও বিজেপি সমস্ত বুথে গড়ে তুলতে পারেনি কমিটি। সমস্ত বুথে বিজেপির সংগঠন সে অর্থে জোরদার নয়। তাদের এই সাংগঠনিক দুর্বলতাই ২০২১-এ ফারাক গড়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ২৯৪টি কেন্দ্রের লড়াইয়ে তা প্রভাব পড়তে বাধ্য।

বুথ সংগঠন মজবুত না হলে লড়াই কঠিন
২০১৯-এর লোকসভায় ৪২টির মধ্যে ১৮টি আসন দখল করেছিল বিজেপি। ২২টি আসন গিয়েছিল তৃণমূলের দখলে। এই ফলাফল তাঁদের উত্তরনের পথ দেখিয়েছিল ঠিক কথাই, কিন্তু বুথ সংগঠন মজবুত না হলে বিজেপির পক্ষে তৃণমূলকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই দেওয়া অত্যন্ত কঠিন।

৩৫ শতাংশ বুথে কমিটি নেই বিজেপির
সম্প্রতি দিল্লির বৈঠকে উঠে এসেছে যে, বিজেপি ৩৫ শতাংশ বুথে এখনও তৃণমূলকে লড়াই দেওয়ার মতো সংগঠন প্রস্তুত করতে পারেনি। অর্থাৎ এমনিতেই ৩৫ শতাংশ বুথে তৃণমূলকে ওয়াকওভার দেওয়ার মতো জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাকি ৬৫ শতাংশ আসনে লড়াইয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে তৃণমূলকে ফাইট দেওয়ার মতো জায়গায় রয়েছে।

বিজেপি লড়াই থেকে ছিটকে যাবে!
কিন্তু অঙ্ক বলছে, ৩৫ শতাংশ বুথে বিজেপির চ্যালেঞ্জ না থাকা তৃণমূলকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেবে অনেকটাই। বাকি ৬৫ শতাংশ বুথে কাঁটে কা টক্কর হলেও বিজেপি লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। তাই ৩৫ শতাংশ বুথে বিজেপি কত তাড়াতাড়ি সংগঠন তৈরি করতে পারবে, তার উপর নির্ভর করবে তাঁদের বিধানসভা-ভা্গ্য।

দিল্লির বৈঠকে আলোচনা সংগঠন নিয়ে
সম্প্রতি দিল্লিতে পাঁচদিন ধরে বঙ্গ বিজেপির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত শিবপ্রকাশ, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননরা আলোচনা করেন দলের সংগঠন নিয়ে। সেখানেই উঠে আসে ৩৫ শতাংশ বুথে সংগঠন না থাকার হতাশা। ৬৫ শতাংশ বুথে বিজেপি শক্তিশালী বলে দাবি করা হয়েছে।

৯০ শতাংশ বুথেই কমি্টি হবে
বিজেপি সূত্রেই জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর, বহরমপুর, মালদহ দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির সংগঠন খুবই ভঙ্গুর। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এইসব এলাকায় বিজেপি সেভাবে সংগঠন গড়ে তুলতে পারেনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বুথে আমরা দুর্বল। তবে ৯০ শতাংশ বুথেই কমি্টি গড়ে ফেলব আমরা।

সংখ্যালঘুদের কাছে বিজেপি ভীতি
সংখ্যালঘুদের কাছে বিজেপি ভীতি কাটিয়ে তুলতে হবে। তাহলেই সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসানো যাবে। আর এই ভীতি কাটিয়ে তুলতে সক্ষম হলেই বিজেপি বুথ সংগঠন গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। এবং কমিটিও গড়ে উঠবে। উল্লেখ্য কেন্দ্রীয় সরকার সংখ্যালঘু উন্নয়ন কাজ করছে, সেটাও বোঝাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications